ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তেহরানে ইসরাইলি হামলা: সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিল ইরান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরাইলি বিমান হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরানে খামেনির কার্যালয়ের সন্নিকটে ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালানোর পর তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন সরকারি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ভোররাতে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের অভিযান চালায় ইসরাইল। এই হামলাকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী একটি ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। হামলার সময় তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, যার মধ্যে সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের আশপাশের এলাকাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বর্তমানে তেহরানে নেই। তাকে অত্যন্ত সুরক্ষিত ও গোপন একটি স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে সেই স্থানটি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেহরানের পক্ষ থেকে এই হামলার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমিরাতে ইরানের হামলা: সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন, পাল্টা জবাবের অধিকার দাবি

তেহরানে ইসরাইলি হামলা: সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিল ইরান

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরাইলি বিমান হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরানে খামেনির কার্যালয়ের সন্নিকটে ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালানোর পর তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন সরকারি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ভোররাতে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের অভিযান চালায় ইসরাইল। এই হামলাকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী একটি ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। হামলার সময় তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, যার মধ্যে সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের আশপাশের এলাকাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বর্তমানে তেহরানে নেই। তাকে অত্যন্ত সুরক্ষিত ও গোপন একটি স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে সেই স্থানটি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেহরানের পক্ষ থেকে এই হামলার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।