ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা: তেহরানজুড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার মধ্যেই ইরানের অভ্যন্তরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরাইল। শনিবার শুরু হওয়া এই হামলায় রোববার সকালেও রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা শহরের আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখেছেন। একজন মার্কিন কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, এই হামলাটি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে পরিচালনা করেছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট এবং জোমহৌরি এলাকাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। হামলার পর ওই এলাকাগুলোতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন, তেল আবিবের ওপর আসা সম্ভাব্য হুমকিগুলো নির্মূল করতেই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত নিজেদের নিরাপত্তা সুসংহত করাই এই হামলার প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কায় ইসরাইল জুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এছাড়া জনসমাবেশসহ অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রমের ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে ইসরাইলি প্রশাসন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন মাসের বেতন না দিয়েই কারখানা বন্ধ, টঙ্গীতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা: তেহরানজুড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

আপডেট সময় : ০১:০৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার মধ্যেই ইরানের অভ্যন্তরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরাইল। শনিবার শুরু হওয়া এই হামলায় রোববার সকালেও রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা শহরের আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখেছেন। একজন মার্কিন কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, এই হামলাটি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে পরিচালনা করেছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট এবং জোমহৌরি এলাকাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। হামলার পর ওই এলাকাগুলোতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন, তেল আবিবের ওপর আসা সম্ভাব্য হুমকিগুলো নির্মূল করতেই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত নিজেদের নিরাপত্তা সুসংহত করাই এই হামলার প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কায় ইসরাইল জুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এছাড়া জনসমাবেশসহ অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রমের ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে ইসরাইলি প্রশাসন।