আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে তুরস্ক। আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় আঙ্কারা এই উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গত শুক্রবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান পাকিস্তান, আফগানিস্তান, কাতার এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টেলিফোনে পৃথকভাবে কথা বলেছেন।
রয়টার্সকে দেওয়া এক তুর্কি কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ফিদান তার সহকর্মীদের সঙ্গে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় নিশ্চিত করেছে যে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন।
সম্প্রতি দুই প্রতিবেশী দেশের সীমান্তে নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর এমন কূটনৈতিক যোগাযোগকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি সুচিন্তিত প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তুরস্কের পাশাপাশি কাতার ও সৌদি আরবের মতো প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলোর সম্পৃক্ততা ইঙ্গিত দেয় যে, মুসলিম বিশ্বেও এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এটি উত্তেজনা প্রশমনে একটি বহুপাক্ষিক উদ্যোগের সম্ভাবনাকেও জোরালো করছে।
রিপোর্টারের নাম 
























