ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

পিলখানা ট্র্যাজেডি: শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বললেন প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শিকার সেনা কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, পিলখানার এই নারকীয় ঘটনা ছিল জাতীয় নিরাপত্তার ওপর এক চরম আঘাত এবং দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আবেগঘন কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি শুধু আপনাদের সরকার প্রধান হিসেবে নয়, বরং একটি সেনাপরিবারের সদস্য হিসেবে আজ এখানে দাঁড়িয়েছি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে শহীদ পরিবারের সদস্যরা যেভাবে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও অবহেলার শিকার হয়েছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। দেশে ফিরে শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আমি তাঁদের স্বজনদের বছরের পর বছর ধরে চলা সেই দীর্ঘশ্বাস ও হাহাকার অনুভব করেছি।”

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনা আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার তৎকালীন দুর্বলতাকে জনসমক্ষে উন্মোচিত করেছিল। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সেই বাহিনীকে দুর্বল করতেই পিলখানায় এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল।

ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী, যুগোপযোগী ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করেছে বর্তমান সরকার। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে গড়ে তোলা হবে।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী পিলখানায় শাহাদাতবরণকারী বীর সেনানিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর ধৈর্য ও অসীম সাহসিকতার প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনি হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল পাকিস্তান ও ইরাক, নিহত ২২

পিলখানা ট্র্যাজেডি: শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বললেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শিকার সেনা কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, পিলখানার এই নারকীয় ঘটনা ছিল জাতীয় নিরাপত্তার ওপর এক চরম আঘাত এবং দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আবেগঘন কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি শুধু আপনাদের সরকার প্রধান হিসেবে নয়, বরং একটি সেনাপরিবারের সদস্য হিসেবে আজ এখানে দাঁড়িয়েছি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে শহীদ পরিবারের সদস্যরা যেভাবে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও অবহেলার শিকার হয়েছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। দেশে ফিরে শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আমি তাঁদের স্বজনদের বছরের পর বছর ধরে চলা সেই দীর্ঘশ্বাস ও হাহাকার অনুভব করেছি।”

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনা আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার তৎকালীন দুর্বলতাকে জনসমক্ষে উন্মোচিত করেছিল। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সেই বাহিনীকে দুর্বল করতেই পিলখানায় এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল।

ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী, যুগোপযোগী ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করেছে বর্তমান সরকার। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে গড়ে তোলা হবে।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী পিলখানায় শাহাদাতবরণকারী বীর সেনানিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর ধৈর্য ও অসীম সাহসিকতার প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।