ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডিজিএফআই প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন চৌকস সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সামরিক বাহিনীর এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী। কর্মজীবনে দেশ-বিদেশে পেশাদারিত্ব, প্রজ্ঞা ও চৌকস নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী ২৯তম বিএমএ লং কোর্সের দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট হিসেবে কমিশন লাভ করেন এবং বর্তমানে তার কোর্সের জ্যেষ্ঠতম (প্রথম) কর্মকর্তা। সহকর্মীদের মতে, সামরিক প্রশিক্ষণে তিনি কখনো দ্বিতীয় হননি, যা তার অসামান্য মেধার পরিচায়ক। তার ঝুলিতে রয়েছে দেশ-বিদেশের একাধিক উচ্চতর ডিগ্রি ও কোর্স। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য থেকে তিনি দুইবার সফলতার সাথে ‘স্টাফ কোর্স’ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তুরস্ক থেকে আর্টিলারি বেসিক কোর্স এবং পাকিস্তান থেকে গানারি স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করে সামরিক বিদ্যায় নিজের গভীর পারদর্শিতা প্রমাণ করেছেন।

দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ সামরিক জীবনে মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে আর্টিলারি ব্রিগেডের ‘ব্রিগেড মেজর’ (বিএম) হিসেবে তার কর্মদক্ষতা প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে (ডিএসসিএসসি) দীর্ঘ তিন বছর প্রশিক্ষক ও প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি অসংখ্য সামরিক কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষিত করেছেন। স্কুল অব আর্টিলারিতেও তিন মেয়াদে প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি নতুন প্রজন্মের সামরিক কর্মকর্তাদের গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে (UNHQ) তার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে যোগদানের পর তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ (Top TCC) হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করে এবং তার পুরো কার্যকালে এই শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি ও ডেপ্লয়মেন্টের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অন্যতম রূপকার। তার অসামান্য কর্মদক্ষতায় তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের সামরিক উপদেষ্টার (MILAD) গভীর আস্থা ও প্রশংসা অর্জন করেছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক সমীকরণ: চীন থেকে অত্যাধুনিক সুপারসনিক মিসাইল কিনছে ইরান

ডিজিএফআই প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন চৌকস সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সামরিক বাহিনীর এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী। কর্মজীবনে দেশ-বিদেশে পেশাদারিত্ব, প্রজ্ঞা ও চৌকস নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী ২৯তম বিএমএ লং কোর্সের দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট হিসেবে কমিশন লাভ করেন এবং বর্তমানে তার কোর্সের জ্যেষ্ঠতম (প্রথম) কর্মকর্তা। সহকর্মীদের মতে, সামরিক প্রশিক্ষণে তিনি কখনো দ্বিতীয় হননি, যা তার অসামান্য মেধার পরিচায়ক। তার ঝুলিতে রয়েছে দেশ-বিদেশের একাধিক উচ্চতর ডিগ্রি ও কোর্স। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য থেকে তিনি দুইবার সফলতার সাথে ‘স্টাফ কোর্স’ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তুরস্ক থেকে আর্টিলারি বেসিক কোর্স এবং পাকিস্তান থেকে গানারি স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করে সামরিক বিদ্যায় নিজের গভীর পারদর্শিতা প্রমাণ করেছেন।

দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ সামরিক জীবনে মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে আর্টিলারি ব্রিগেডের ‘ব্রিগেড মেজর’ (বিএম) হিসেবে তার কর্মদক্ষতা প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে (ডিএসসিএসসি) দীর্ঘ তিন বছর প্রশিক্ষক ও প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি অসংখ্য সামরিক কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষিত করেছেন। স্কুল অব আর্টিলারিতেও তিন মেয়াদে প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি নতুন প্রজন্মের সামরিক কর্মকর্তাদের গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে (UNHQ) তার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে যোগদানের পর তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ (Top TCC) হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করে এবং তার পুরো কার্যকালে এই শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি ও ডেপ্লয়মেন্টের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অন্যতম রূপকার। তার অসামান্য কর্মদক্ষতায় তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের সামরিক উপদেষ্টার (MILAD) গভীর আস্থা ও প্রশংসা অর্জন করেছিলেন।