ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা গড়ার অঙ্গীকার: মাঠে নেমেছেন জামায়াতের নবনির্বাচিত এমপিরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

শপথ গ্রহণের পর নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তারা ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের কাছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি এলাকার বিরাজমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন এই জনপ্রতিনিধিরা। জনসেবামূলক কাজের অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের মতো কর্মসূচিগুলোও তারা জোরদার করেছেন।

বিশেষ করে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নিজ এলাকাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন জামায়াতের এমপিরা। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের এই সোচ্চার ভূমিকা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শপথ নেওয়ার আগে থেকেই তারা এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিলেন এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজে হাত দিয়েছেন।

রাজধানী ঢাকার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা ইতোমধ্যে তাদের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। ঢাকা-১৫ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান শপথের পরদিন থেকেই এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন। তিনি মিরপুর ও কাফরুল এলাকাকে একটি আদর্শ বা ‘মডেল এলাকা’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নিজ হাতে রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সূচনা করেন তিনি। এর আগে নির্বাচনের পরপরই নিজ উদ্যোগে নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এই নেতা।

অন্যদিকে, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেন শপথ নিয়েই নিজ এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন।

গত সোমবার পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কামাল হোসেন দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় কোনো আপস করা হবে না। সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকা-৫ সংসদীয় এলাকাকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। নতুন এই জনপ্রতিনিধিদের এমন সক্রিয়তায় এলাকায় স্বস্তি ও নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন নৌবাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ইরানের দ্বিতীয় সুপারট্যাংকার

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা গড়ার অঙ্গীকার: মাঠে নেমেছেন জামায়াতের নবনির্বাচিত এমপিরা

আপডেট সময় : ০৯:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শপথ গ্রহণের পর নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তারা ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের কাছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি এলাকার বিরাজমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন এই জনপ্রতিনিধিরা। জনসেবামূলক কাজের অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের মতো কর্মসূচিগুলোও তারা জোরদার করেছেন।

বিশেষ করে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নিজ এলাকাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন জামায়াতের এমপিরা। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের এই সোচ্চার ভূমিকা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শপথ নেওয়ার আগে থেকেই তারা এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিলেন এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজে হাত দিয়েছেন।

রাজধানী ঢাকার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা ইতোমধ্যে তাদের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। ঢাকা-১৫ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান শপথের পরদিন থেকেই এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন। তিনি মিরপুর ও কাফরুল এলাকাকে একটি আদর্শ বা ‘মডেল এলাকা’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নিজ হাতে রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সূচনা করেন তিনি। এর আগে নির্বাচনের পরপরই নিজ উদ্যোগে নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এই নেতা।

অন্যদিকে, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেন শপথ নিয়েই নিজ এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন।

গত সোমবার পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কামাল হোসেন দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় কোনো আপস করা হবে না। সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকা-৫ সংসদীয় এলাকাকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। নতুন এই জনপ্রতিনিধিদের এমন সক্রিয়তায় এলাকায় স্বস্তি ও নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।