ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানা ট্র্যাজেডি: সত্য উন্মোচনে জনগণের উপলব্ধির গুরুত্ব

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাযজ্ঞের পেছনের কারণগুলো এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ওই ভয়াবহ ঘটনার পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

আগামীকাল, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা সম্ভব নয়। তবে, তিনি নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি উপলব্ধি করার ওপর জোর দেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র বিদ্যমান ছিল।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, ২০০৯ সালের এই দিনে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় এক নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল, যেখানে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে দিনটি সেভাবে পালিত হয়নি, কিন্তু ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। এই বিশেষ দিনে তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তারেক রহমান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন জাতির সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য পুনরায় শপথবদ্ধ হন।

প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকারই হোক এই শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিকিমে উৎপত্তি: ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প

পিলখানা ট্র্যাজেডি: সত্য উন্মোচনে জনগণের উপলব্ধির গুরুত্ব

আপডেট সময় : ১১:২৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাযজ্ঞের পেছনের কারণগুলো এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ওই ভয়াবহ ঘটনার পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

আগামীকাল, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা সম্ভব নয়। তবে, তিনি নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি উপলব্ধি করার ওপর জোর দেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র বিদ্যমান ছিল।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, ২০০৯ সালের এই দিনে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় এক নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল, যেখানে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে দিনটি সেভাবে পালিত হয়নি, কিন্তু ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। এই বিশেষ দিনে তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তারেক রহমান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন জাতির সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য পুনরায় শপথবদ্ধ হন।

প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকারই হোক এই শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয়।