গাজায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ফলে সৃষ্ট মানবিক সংকট এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে, বিশিষ্ট সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই বর্বরতার বিরুদ্ধে যথেষ্ট সরব নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, গাজার নিরীহ মানুষের ওপর যে অত্যাচার চালানো হচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না এবং এর জন্য দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।
মাহমুদুর রহমান তাঁর বক্তব্যে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর চালানো হামলা এবং অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামো ধ্বংসের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন ঘটিয়ে ইসরায়েল গাজায় এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। হাসপাতাল, স্কুল এবং আবাসিক এলাকার ওপর নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করা হচ্ছে, যা যুদ্ধাপরাধের সামিল। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থা ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গাজার সাধারণ মানুষ চরম খাদ্য, পানীয় ও চিকিৎসার অভাবে দিন কাটাচ্ছে। ইসরায়েলি অবরোধের কারণে সেখানে মানবিক সাহায্য পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। এই অমানবিক পরিস্থিতি বিশ্ববাসীর বিবেককে নাড়া দিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন। মাহমুদুর রহমান বিশ্বাস করেন, এই সংঘাতের অবসান এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আন্তর্জাতিক চাপ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে গাজায় শান্তি ফিরবে এবং মানবাধিকারের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।
রিপোর্টারের নাম 


















