আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এক নতুন প্রয়াসে প্রতিপক্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত নিজেরাই সমালোচনার মুখে পড়েছে ভারত। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে নিজেদের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে গিয়ে উল্টো নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে দেশটি।
ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন ভারত তাদের প্রতিবেশী কোনো একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেয় এবং সেই দেশের সক্ষমতাকে ছোট করে দেখানোর প্রয়াস চালায়। আন্তর্জাতিক ফোরামে বা দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এই ধরনের মন্তব্য সাধারণত পরিহার করা হয়, বিশেষ করে যখন তা কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে জড়িত থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে, ভারতের পক্ষ থেকে করা কিছু মন্তব্যকে অনেকেই আক্রমণাত্মক এবং অগ্রহণযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের আগ্রাসী ভাষা ব্যবহার করে ভারত কেবল প্রতিপক্ষকেই নয়, বরং নিজেদেরও একটি অনভিপ্রেত বিতর্কের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। অনেক দেশ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং তাদের আঞ্চলিক নীতি নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছে। এর ফলে, যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই মন্তব্য করা হয়েছিল, তা অর্জিত হওয়ার পরিবর্তে ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
এই ঘটনার পর, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে ভারতের প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের আচরণের ফলে ভারত তার দীর্ঘদিনের অর্জিত কূটনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে পারে। একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করার জন্য ভারতের উচিত হবে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন করা, যা কোনো দেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী নয়। আপাতত, প্রতিপক্ষকে ছোট করতে গিয়ে ভারত নিজেই যে একপ্রকার ছোট হয়ে গেছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে চলছে জোর আলোচনা।
—
রিপোর্টারের নাম 


















