ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মেয়াদোত্তীর্ণ সিটিগুলোতে আগে নির্বাচন, দলীয় প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত সংসদে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

মেয়াদোত্তীর্ণ সিটি করপোরেশনগুলোতে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এ বিষয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদেই চূড়ান্ত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ৬ সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকদের দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, তা সংসদে নির্ধারিত হবে। তিনি আরও যোগ করেন, সিটি করপোরেশনগুলোতে সরকারি কর্মকর্তাদের পরিবর্তে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে জনগণ আরও ভালোভাবে সেবা পাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এ কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি, যা জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়াবে।

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে ব্যক্তিগত মতামত জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী বলেন, এখানে আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই। আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত রয়েছে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই আমরা কাজ করব। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সংসদের প্রথম অধিবেশনেই নেওয়া হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, যেসব স্থানীয় সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলোতে প্রথমে নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে আরও দুটি সিটি করপোরেশনে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন শেষ করার সময়সীমা সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। কারো মেয়াদ শেষ হলে নির্বাচন হয়; ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলাতেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। তাই এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কাছে সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকরা তাদের যোগদানপত্র জমা দেন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ৬ প্রশাসক মশা নিধন, যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট মেরামতসহ জনদুর্ভোগ লাঘবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তারা জানান, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য এবং দ্রুত কাজ শুরু করতে তারা ৬০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথের বেদখল হল উদ্ধারে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস এমপি হামিদের

মেয়াদোত্তীর্ণ সিটিগুলোতে আগে নির্বাচন, দলীয় প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত সংসদে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মেয়াদোত্তীর্ণ সিটি করপোরেশনগুলোতে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এ বিষয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদেই চূড়ান্ত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ৬ সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকদের দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, তা সংসদে নির্ধারিত হবে। তিনি আরও যোগ করেন, সিটি করপোরেশনগুলোতে সরকারি কর্মকর্তাদের পরিবর্তে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে জনগণ আরও ভালোভাবে সেবা পাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এ কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি, যা জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়াবে।

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে ব্যক্তিগত মতামত জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী বলেন, এখানে আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই। আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত রয়েছে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই আমরা কাজ করব। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সংসদের প্রথম অধিবেশনেই নেওয়া হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, যেসব স্থানীয় সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলোতে প্রথমে নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে আরও দুটি সিটি করপোরেশনে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন শেষ করার সময়সীমা সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। কারো মেয়াদ শেষ হলে নির্বাচন হয়; ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলাতেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। তাই এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কাছে সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকরা তাদের যোগদানপত্র জমা দেন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ৬ প্রশাসক মশা নিধন, যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট মেরামতসহ জনদুর্ভোগ লাঘবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তারা জানান, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য এবং দ্রুত কাজ শুরু করতে তারা ৬০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবেন।