আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে বগুড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় ওয়ারেন্টমূলে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ঢাকা–রংপুর মহাসড়কের মাঝিড়া বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর এই গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে হিরো আলমের গতিবিধির ওপর নজরদারি চলছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে মাঝিড়া বন্দরের কাছে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মহাসড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে তার ব্যবহৃত গাড়ির পিছু নেন। একপর্যায়ে ধাওয়া করে গাড়িটি থামাতে সক্ষম হন তারা এবং সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তিনি তার নিজ গাড়িতেই ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। গত ১০ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–১ এর বিচারক আনোয়ারুল হক এই পরোয়ানা জারি করেন। তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করলে বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, সাদিয়া রহমান মিথিলা নামের এক নারীকে নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে আশরাফুল আলম প্রতারণামূলকভাবে বিয়ের আশ্বাস দেন। পরে তাকে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং গর্ভপাত করাতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ অস্বীকারের পর ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, মামলার প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের কিছু সত্যতা পাওয়া গেছে বলে পিবিআই তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















