মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের দামামা বাজতে শুরু করেছে। আগামী শনিবারের মধ্যে ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলা চালানোর প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তুতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তবে হামলার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো নির্দেশনা দেননি তিনি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস-এর বরাতে জানা গেছে, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই ইরানে অভিযানের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি রাখার কথা জানিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো এই পরিস্থিতিকে ‘পরিবর্তনশীল ও চলমান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। মূলত হামলার পর ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা প্রতিক্রিয়া এবং সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর এর প্রভাব নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করছে ওয়াশিংটন।
এদিকে, সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের সুরক্ষায় বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একাধিক সূত্রের দাবি, ওই অঞ্চল থেকে কিছু সেনাকে অস্থায়ীভাবে ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মূলত হামলার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অবস্থানরত সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কৌশলগত পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার অর্থ এই নয় যে এখনই হামলা নিশ্চিত। সাধারণত কোনো বড় সামরিক অভিযানের আগে যুক্তরাষ্ট্র তার সেনাদের সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। পুরো বিষয়টি এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ওদিকে এই সম্ভাব্য হামলাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























