নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যেই পবিত্র রমজান মাসকে স্বাগত জানিয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার বাসিন্দারা। রক্তক্ষয়ী সংঘাত আর অনিশ্চয়তার মাঝেও উপত্যকার মানুষজন ঐতিহ্য ও উৎসবের আমেজ ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট। জীর্ণ তাঁবু আর ভাঙা বাড়ির ছাদ রঙিন কাগজ ও বাতি দিয়ে সাজিয়ে তারা বরণ করে নিচ্ছেন পবিত্র এই মাসকে।
চলমান মানবিক সংকট এবং আরও ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কার কালো মেঘ ঘিরে রেখেছে গাজাকে। এর মধ্যেই সেখানকার মানুষজন রমজানের আগমনকে দেখছেন আশা ও দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে। উপত্যকার বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দারা তাদের অস্থায়ী আবাসগুলোকে সাজিয়ে তুলছেন। তাঁবুর দেয়ালে আঁকা হচ্ছে ছবি, আর জরাজীর্ণ ছাদে লাগানো হচ্ছে বর্ণিল কাগজ ও বৈদ্যুতিক বাতি। এ যেন ধ্বংসস্তূপের মাঝেও জীবনের জয়গান। দুই সন্তানের জননী মাইসুন তার নয় বছর বয়সী ছেলে হাসানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমরা তোমার জন্য সুন্দর সাজসজ্জা আর ছোট্ট একটা লণ্ঠন এনেছি।” তার এই কথাগুলোই যেন গাজার অসংখ্য মায়ের হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি, যারা শত প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে চান। গাজাবাসীর কাছে রমজানের আগমন কেবল একটি ধর্মীয় উদযাপন নয়, বরং এটি তাদের অদম্য মনোবল, অবিচল বিশ্বাস এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতি তাদের আশার এক শক্তিশালী বার্তা।
রিপোর্টারের নাম 























