ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত: বাতিল হলো এমপিদের পেনশন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

তীব্র অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার নিজেদের জন্য নির্ধারিত পেনশন বা অবসরকালীন ভাতা বাতিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন বামপন্থী সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এই সিদ্ধান্ত, যা জনমনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কলম্বোর ২২৫ সদস্যের পার্লামেন্টে বিলটি ১৫৪-২ ভোটে পাশ হয়েছে। ভোটাভুটির সময় ১৫৪ জন আইনপ্রণেতা বিলের পক্ষে ভোট দেন, যেখানে মাত্র দুজন এর বিপক্ষে ছিলেন। বাকি সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন না। দেশটি যখন নজিরবিহীন অর্থনৈতিক মন্দার সম্মুখীন, তখন সরকারি ব্যয় সংকোচন এবং জনগণের আস্থা অর্জনে এই ধরনের পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এটি কেবল একটি প্রতীকী সিদ্ধান্ত নয়, বরং রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ কমানোর এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের প্রতি সংহতি প্রকাশের একটি দৃঢ় বার্তা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে গোপনে তথ্য দিন: ডিএমপি কমিশনারের আহ্বান

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত: বাতিল হলো এমপিদের পেনশন

আপডেট সময় : ০২:৩০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তীব্র অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার নিজেদের জন্য নির্ধারিত পেনশন বা অবসরকালীন ভাতা বাতিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন বামপন্থী সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এই সিদ্ধান্ত, যা জনমনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কলম্বোর ২২৫ সদস্যের পার্লামেন্টে বিলটি ১৫৪-২ ভোটে পাশ হয়েছে। ভোটাভুটির সময় ১৫৪ জন আইনপ্রণেতা বিলের পক্ষে ভোট দেন, যেখানে মাত্র দুজন এর বিপক্ষে ছিলেন। বাকি সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন না। দেশটি যখন নজিরবিহীন অর্থনৈতিক মন্দার সম্মুখীন, তখন সরকারি ব্যয় সংকোচন এবং জনগণের আস্থা অর্জনে এই ধরনের পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এটি কেবল একটি প্রতীকী সিদ্ধান্ত নয়, বরং রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ কমানোর এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের প্রতি সংহতি প্রকাশের একটি দৃঢ় বার্তা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।