ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচনোত্তর সহিংসতা ও বর্জনের অভিযোগ: ‘জনগণের সঙ্গে তামাশা’ করেছে প্রশাসন: মামুনুল হক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে “সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিং”য়ের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে তামাশা হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক। তিনি অভিযোগ করেছেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের নাটক সাজিয়ে পরবর্তীতে প্রশাসন নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে জনগণের ব্যালটের অধিকার হরণ করেছে।

সোমবার (তারিখ উল্লেখ করুন, যদি থাকে) বিকেলে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বহু রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ছিল। মানুষ আশা করেছিল, তাদের ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ১২ই ফেব্রুয়ারি (তারিখ উল্লেখ করুন, যদি থাকে) মানুষের ভোটাধিকারের সঙ্গে নির্মম তামাশা করে একটি সাজানো ও পরিকল্পিত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে জাতীয় সংসদে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডিপ স্টেটের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের জনগণের অর্থে পালিত প্রশাসনকে ব্যবহার করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনার পূর্ববর্তী সিইসির পরিণতি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন।” তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “আমরা যে আপত্তি জানিয়েছি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জনগণের ব্যালটের অধিকার যদি ফিরিয়ে না দেন, বাংলার মানুষ তাদের অধিকার কেড়ে নেবে, ইনশাআল্লাহ।”

মামুনুল হক নির্বাচনোত্তর সময়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর পৈশাচিকতা চালানোর অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের বোনদের ধর্ষণ করা হয়েছে, আমাদের মা-বোনদের শ্লীলতাহানি শুধু নয়, তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে বাংলাদেশে আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।”

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “রক্ত দিয়ে যে জুলাই বিপ্লব হয়েছে, সেই বাংলাদেশে আর কোনোদিন ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।” তিনি আরও বলেন, পুরোনো ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে বাংলাদেশে তাদের প্রবেশের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হলে, যে পথে ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, সেই পথেই তাদেরও বিতাড়িত করা হবে।

তিনি শহীদ ওসমান হাদী হত্যাসহ প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন এবং জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, জুলাই স্পিরিট থেকে এক চুল পরিমাণ বিচ্যুতি করার ষড়যন্ত্র করা হলে, জুলাই যোদ্ধারা আবার মাঠে নামবে। তিনি সবাইকে ঐক্য ও সংহতি মজবুত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের মানুষ ভাত ও ভোটের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলমান সংগ্রামকে মজবুত ও সংগত রাখতে হবে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, “আমরা জাতির সামনে ভোটচোরদের উন্মোচিত করতে পেরেছি। ওরা শুধু ভোট চুরি করেনি, বরং জনগণের ভোট ডাকাতি করেছে।” তিনি বলেন, “যারা ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করেছে, তারা যদি জনগণের ওপর জুলুম করে, তবে আমরা বসে থাকব না।” শহীদ ওসমান হাদী হত্যার বিচার সম্পন্ন করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, যারা নির্বাচন চায় না বলে অভিযোগ করছে, তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারাই গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু করেছে। বরং তাদের বিরুদ্ধেই ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনের মাধ্যমে জনগণের ভোট ডাকাতি করে গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগ তিনি আনেন।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, “পুরোনো সংস্কৃতির রাজনীতিতে ফিরে যাওয়ার জন্য জুলাই বিপ্লব হয়নি।” তিনি বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পুরোনো সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন বাংলাদেশে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতি চর্চা করতে।

খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল বলেন, “জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে আমরা চেয়েছি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার গঠিত হবে। কিন্তু সেটি হয়নি; হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন।”

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রফেসর উমর ফারুক বলেন, “আমাদের বড় ভুল হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখা। ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রশাসন টাকার বিনিময়ে নির্বাচনে কারচুপি করে একটি দলকে ক্ষমতা দিয়েছে।”

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। কিন্তু আমরা বললে কেউ বিশ্বাস না করলেও টিআইবির প্রতিবেদন জনগণ বিশ্বাস করবে।”

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ২০০৮ সালে হয়েছে সমঝোতার ভোট, ২০১৪ সালে হয়েছে একতরফা ভোট, ২০১৮ সালে হয়েছে রাতের ভোট, ২০২৪ সালে হয়েছে ডামি ভোট এবং ২০২৬ সালে হবে ম্যানেজ ভোট।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের বিমা সুবিধা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংক ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চুক্তি

নির্বাচনোত্তর সহিংসতা ও বর্জনের অভিযোগ: ‘জনগণের সঙ্গে তামাশা’ করেছে প্রশাসন: মামুনুল হক

আপডেট সময় : ০৮:৫০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে “সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিং”য়ের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে তামাশা হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক। তিনি অভিযোগ করেছেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের নাটক সাজিয়ে পরবর্তীতে প্রশাসন নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে জনগণের ব্যালটের অধিকার হরণ করেছে।

সোমবার (তারিখ উল্লেখ করুন, যদি থাকে) বিকেলে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বহু রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ছিল। মানুষ আশা করেছিল, তাদের ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ১২ই ফেব্রুয়ারি (তারিখ উল্লেখ করুন, যদি থাকে) মানুষের ভোটাধিকারের সঙ্গে নির্মম তামাশা করে একটি সাজানো ও পরিকল্পিত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে জাতীয় সংসদে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডিপ স্টেটের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের জনগণের অর্থে পালিত প্রশাসনকে ব্যবহার করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনার পূর্ববর্তী সিইসির পরিণতি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন।” তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “আমরা যে আপত্তি জানিয়েছি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জনগণের ব্যালটের অধিকার যদি ফিরিয়ে না দেন, বাংলার মানুষ তাদের অধিকার কেড়ে নেবে, ইনশাআল্লাহ।”

মামুনুল হক নির্বাচনোত্তর সময়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর পৈশাচিকতা চালানোর অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের বোনদের ধর্ষণ করা হয়েছে, আমাদের মা-বোনদের শ্লীলতাহানি শুধু নয়, তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে বাংলাদেশে আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।”

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “রক্ত দিয়ে যে জুলাই বিপ্লব হয়েছে, সেই বাংলাদেশে আর কোনোদিন ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।” তিনি আরও বলেন, পুরোনো ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে বাংলাদেশে তাদের প্রবেশের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হলে, যে পথে ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, সেই পথেই তাদেরও বিতাড়িত করা হবে।

তিনি শহীদ ওসমান হাদী হত্যাসহ প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন এবং জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, জুলাই স্পিরিট থেকে এক চুল পরিমাণ বিচ্যুতি করার ষড়যন্ত্র করা হলে, জুলাই যোদ্ধারা আবার মাঠে নামবে। তিনি সবাইকে ঐক্য ও সংহতি মজবুত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের মানুষ ভাত ও ভোটের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলমান সংগ্রামকে মজবুত ও সংগত রাখতে হবে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, “আমরা জাতির সামনে ভোটচোরদের উন্মোচিত করতে পেরেছি। ওরা শুধু ভোট চুরি করেনি, বরং জনগণের ভোট ডাকাতি করেছে।” তিনি বলেন, “যারা ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করেছে, তারা যদি জনগণের ওপর জুলুম করে, তবে আমরা বসে থাকব না।” শহীদ ওসমান হাদী হত্যার বিচার সম্পন্ন করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, যারা নির্বাচন চায় না বলে অভিযোগ করছে, তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারাই গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু করেছে। বরং তাদের বিরুদ্ধেই ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনের মাধ্যমে জনগণের ভোট ডাকাতি করে গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগ তিনি আনেন।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, “পুরোনো সংস্কৃতির রাজনীতিতে ফিরে যাওয়ার জন্য জুলাই বিপ্লব হয়নি।” তিনি বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পুরোনো সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন বাংলাদেশে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতি চর্চা করতে।

খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল বলেন, “জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে আমরা চেয়েছি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার গঠিত হবে। কিন্তু সেটি হয়নি; হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন।”

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রফেসর উমর ফারুক বলেন, “আমাদের বড় ভুল হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখা। ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রশাসন টাকার বিনিময়ে নির্বাচনে কারচুপি করে একটি দলকে ক্ষমতা দিয়েছে।”

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। কিন্তু আমরা বললে কেউ বিশ্বাস না করলেও টিআইবির প্রতিবেদন জনগণ বিশ্বাস করবে।”

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ২০০৮ সালে হয়েছে সমঝোতার ভোট, ২০১৪ সালে হয়েছে একতরফা ভোট, ২০১৮ সালে হয়েছে রাতের ভোট, ২০২৪ সালে হয়েছে ডামি ভোট এবং ২০২৬ সালে হবে ম্যানেজ ভোট।