ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

চীনে ইরানের তেল রফতানি কমাতে একমত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

হোয়াইট হাউজে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে চীনে ইরানের তেল রফতানি কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে একমত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৈঠকে তারা ইরানের ওপর সর্বাধিক চাপ প্রয়োগের প্রস্তুতির সংকেতও দিয়েছেন। দুটি মার্কিন কর্মকর্তার তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এ খবর জানিয়েছে।

এক সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমরা একমত হয়েছি যে ইরানের ওপর সর্বাধিক চাপ প্রয়োগ করা হবে। আর সেটি করা হবে চীনে ইরানের তেল রফতানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে, রবিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যে দেশের স্বাভাবিক সহযোগিতা যৌক্তিক ও বৈধ, এবং তা সুরক্ষিত থাকা উচিত।  

উল্লেখ্য, চীন ইরানের তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনে থাকে। যদি এই বাণিজ্য কমে যায়, তবে ইরানের তেলের আয়ও হ্রাস পাবে।  

সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনীতিকরা ওমানের মধ্যস্থতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আন্যদিকে, শনিবার( ১৪ ফেব্রুয়ারি) সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আগামী সপ্তাহে জেনেভায় দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দ্বিতীয় দফার আলোচনার আয়োজক আবারও ওমান হলেও বৈঠকের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।  

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘স্মার্ট বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি হবে সাশ্রয়ী ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট’: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

চীনে ইরানের তেল রফতানি কমাতে একমত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হোয়াইট হাউজে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে চীনে ইরানের তেল রফতানি কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে একমত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৈঠকে তারা ইরানের ওপর সর্বাধিক চাপ প্রয়োগের প্রস্তুতির সংকেতও দিয়েছেন। দুটি মার্কিন কর্মকর্তার তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এ খবর জানিয়েছে।

এক সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমরা একমত হয়েছি যে ইরানের ওপর সর্বাধিক চাপ প্রয়োগ করা হবে। আর সেটি করা হবে চীনে ইরানের তেল রফতানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে, রবিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যে দেশের স্বাভাবিক সহযোগিতা যৌক্তিক ও বৈধ, এবং তা সুরক্ষিত থাকা উচিত।  

উল্লেখ্য, চীন ইরানের তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনে থাকে। যদি এই বাণিজ্য কমে যায়, তবে ইরানের তেলের আয়ও হ্রাস পাবে।  

সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনীতিকরা ওমানের মধ্যস্থতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আন্যদিকে, শনিবার( ১৪ ফেব্রুয়ারি) সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আগামী সপ্তাহে জেনেভায় দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দ্বিতীয় দফার আলোচনার আয়োজক আবারও ওমান হলেও বৈঠকের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।