ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হলেও সুনামগঞ্জের কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকে ভোটারদের সরব উপস্থিতি দেখা যায়নি। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় কেন্দ্রগুলোতে মানুষের আনাগোনা ছিল হাতেগোনা। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সরেজমিনে সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ৮টায় গিয়ে দেখা যায়, ভোট দেওয়ার জন্য কোনো দীর্ঘ সারি নেই। কেন্দ্রের বাইরে প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের হাতে ভোটার স্লিপ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও ভোটারের উপস্থিতি ছিল নগণ্য। জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ও পাথারিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রেও একই চিত্র ফুটে উঠেছে। সেখানকার নোয়াখালী ইনামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গনিনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিরতি দিয়ে এক-দুজন করে ভোটারকে ভোট দিতে আসতে দেখা গেছে।
ভোটের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত গনিনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ২ হাজার ৮২২ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র ৮৭ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার রুহুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, ১ হাজার ৫৪৮ জন ভোটারের নোয়াখালী ইনামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একই সময় পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১০৪টি। এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার কামাল উদ্দিন জানান, সকালের দিকে উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।
জেলার প্রায় প্রতিটি উপজেলা থেকেই ভোটার উপস্থিতির এমন ধীরগতির খবর পাওয়া গেছে। তবে কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, দুপুরের দিকে ভোটারদের আনাগোনা বাড়তে পারে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























