বাংলাদেশের চলমান নির্বাচনকে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে অভিহিত করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভোটগ্রহণের এই ইতিবাচক ধারা দিনভর বজায় থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে ইজাবস এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ইইউ মিশন সারা দেশে নিয়োজিত তাদের পর্যবেক্ষকদের মাধ্যমে নিবিড়ভাবে ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
ইভার্স ইজাবস বলেন, “আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে প্রচুর উৎসাহ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করছি। আশা করি, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত এই পরিবেশ বজায় থাকবে।” তিনি আরও জানান, তারা সারা দেশে অবস্থানরত পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে অনলাইনে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং কেন্দ্র, ভোটারদের উপস্থিতি ও নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতির নিয়মিত আপডেট নিচ্ছেন।
পর্যবেক্ষকদের তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রগুলো কীভাবে খোলা হয়েছে এবং কত মানুষ ভোট দিচ্ছেন, সে সম্পর্কে ইইউ মিশন অবগত হচ্ছে। দেশের যেখানেই তাদের পর্যবেক্ষকেরা আছেন, সেখান থেকেই তারা তথ্য পাচ্ছেন।
ইইউ মিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে মন্তব্য করে ইজাবস বলেন, “আমরা শতভাগ নিরপেক্ষ। আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছি না; আমরা কেবল পর্যবেক্ষণ করছি।” তিনি জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি মিশন তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।
একটি বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের জন্য ইইউ মিশন দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চল মিলিয়ে দুই শতাধিক পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে। প্রধান পর্যবেক্ষক জানান, এখন পর্যন্ত তারা যেসব কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছেন, তার বেশির ভাগই সময়মতো খুলেছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইজাবস জানান, পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে মিশন বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করলেও ভোট চলাকালীন কোনো মন্তব্য করবে না। তিনি বলেন, “প্রক্রিয়াটি নিয়ে আমরা পরে কথা বলব। কারণ এখন কোনো মন্তব্য করা মানেই রাজনীতি ও নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়া।”
রিপোর্টারের নাম 























