ফেনী-২ (সদর) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জুর ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের মজুমদার হাটে শেখ মজিবুল হক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে ধানের শীষের সমর্থিত কর্মীদের দ্বারা এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার প্রধান নির্বাচনী এজেন্টসহ কয়েকজন কর্মীও হামলার শিকার হন এবং একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে আসে।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মজিবুর রহমান মঞ্জু শেখ মজিবুল হক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে ধানের শীষের সমর্থক আব্দুল হান্নান ও শহিদের নেতৃত্বে একদল কর্মী তাকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করতে শুরু করে। একপর্যায়ে তারা মঞ্জুর দিকে তেড়ে আসে। এ সময় ঈগল মার্কার উপস্থিত সমর্থকরা তাকে ঘিরে ধরে সম্ভাব্য হামলা থেকে রক্ষা করেন। পরে সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই হামলায় তালহা নামের এক ঈগল সমর্থক গুরুতর আহত হন।
এছাড়া, ধর্মপুর ইউনিয়নের জোয়ার কাছাড় কেন্দ্রের পাশে মজিবুর রহমান মঞ্জুর প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট আনম আব্দুর রহিমের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলাকারীরা তার ব্যবহৃত গাড়িটিও ভাঙচুর করে। মঞ্জু সমর্থকদের দাবি, স্থানীয় বিএনপি ক্যাডার জামাই কামরুলের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়।
একই দিনে পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের এলাহিগঞ্জে ঈগল মার্কার বেশ কয়েকজন সমর্থককে আহত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। শর্শদী ইউনিয়নের ঘাগরা এলাকায়ও হামলার ঘটনা ঘটে। ফরহাদনগরের কালিদাস উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। এসব হামলার জন্যও ধানের শীষের কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক জানান, ভোট গ্রহণ শুরুর পর থেকে যতগুলো অভিযোগ পাওয়া গেছে, সব স্থানেই মোবাইল টিম পাঠানো হয়েছে। তবে, কোথাও ভোট গ্রহণে বড় ধরনের কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি আরও জানান, মঞ্জু সাহেবের প্রধান এজেন্টের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি থানায় নিয়মিত মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























