শুরু হলো কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে ভোট দিতে ভোরের আলো ফোটার আগেই নোয়াখালীর ভোট কেন্দ্রগুলোতে লাইন ধরেছেন ভোটাররা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় নোয়াখালীর ৮৭৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনের ৮৭৫টি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৭টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোট ১৬ হাজার ৩৭৯ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নোয়াখালীর সবগুলো আসনে ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সন্তোষজনক। ছয়টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ এলাকা হওয়ায় সেখানে পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন।
অপর পাঁচটি আসনে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।
নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে রয়েছে— সেনাবাহিনী ৭০০, বিজিবি ২৫০, পুলিশ ২ হাজার ৬৫০, র্যাব ১০০, নৌবাহিনী ২৪০, কোস্টগার্ড ১ হাজার ৬৪ ও আনসার সদস্য ১১ হাজার ৩৭৫ জন।
এ ছাড়া একজন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে ১৪ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, ১৪ জন প্রথম শ্রেণির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৮৭৫ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ৫ হাজার ৬০৯ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ১১ হাজার ২১৮ জন পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, জেলার ৬টি আসনে আটটি পৌরসভা ও ৯১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩৮০ জন, নারী ভোটার ১৩ লাখ ৭১ হাজার ২৪৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৪ জন। জেলায় মোট ৮৭৫টি ভোটকেন্দ্র ও ৫ হাজার ৬০৯টি ভোটকক্ষ রয়েছে।
প্রার্থী সংখ্যার হিসাবে নোয়াখালী-১ আসনে ৭, নোয়াখালী-২ আসনে ৫, নোয়াখালী-৩ আসনে ৭, নোয়াখালী-৪ আসনে ৭, নোয়াখালী-৫ আসনে ১২ ও নোয়াখালী-৬ আসনে ১০ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























