ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

শেরপুরে উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ চলছে, কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

সারা দেশের ন্যায় শেরপুরেও উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট ও গণভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকেই শেরপুরের ২টি আসনের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড় দেখা গেছে।

শেরপুর-১ (সদর) আসনে ৬ প্রার্থী থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে তিন জনকে কেন্দ্র করেই। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, মোটরসাইকেল প্রতীকের (স্বতন্ত্র) শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।

বাকি তিন জনের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস উদ্দিন নিজে নির্বাচন থেকে সরে প্রকাশ্যে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদের পক্ষে কাজ করছেন। অন্যদিকে এনসিপির জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার লিখন মিয়া জামায়াতের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুলের পক্ষে কাজ করছেন। এ ছাড়া জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মাহমুদুল হক মনি লাঙল প্রতীক নিয়ে কারাগার থেকে নির্বাচন করছেন। তবে মাঠ পর্যায়ে তার তেমন প্রভাব বা আলোচনা নেই।

অন্যদিকে, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে ৪ প্রার্থী লড়ছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া ভিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েস ও  এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ। 

এর মধ্যে এবার ভোটের মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং জামায়াত প্রার্থী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়ার মধ্যে লড়াই হবে বলে জানান ভোটাররা।

জেলা নির্বাচন কমিশনার সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন আর মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৫টির মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ২৪টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪০টি আর সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৮১টি।

নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নিয়ে শেরপুর-২ আসন। এখানে ২টি পৌরসভা ও ২১টি ইউনিয়ন রয়েছে। মোট ভোটার ৪ লাখ ৪০ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৮৬ জন ও নারী ২ লাখ ২৪ হাজার ২৪৮ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫৪টি। এখানে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫৯টি আর সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪০টি।

এ ছাড়া দুটি আসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৩০ জন এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চার জন নির্বাচনি এলাকায় থাকবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই মিত্র দেশের নেতৃত্বের পতনেও চীন কেন নীরব দর্শক?

শেরপুরে উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ চলছে, কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড়

আপডেট সময় : ১১:১৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সারা দেশের ন্যায় শেরপুরেও উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট ও গণভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকেই শেরপুরের ২টি আসনের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড় দেখা গেছে।

শেরপুর-১ (সদর) আসনে ৬ প্রার্থী থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে তিন জনকে কেন্দ্র করেই। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, মোটরসাইকেল প্রতীকের (স্বতন্ত্র) শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।

বাকি তিন জনের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস উদ্দিন নিজে নির্বাচন থেকে সরে প্রকাশ্যে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদের পক্ষে কাজ করছেন। অন্যদিকে এনসিপির জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার লিখন মিয়া জামায়াতের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুলের পক্ষে কাজ করছেন। এ ছাড়া জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মাহমুদুল হক মনি লাঙল প্রতীক নিয়ে কারাগার থেকে নির্বাচন করছেন। তবে মাঠ পর্যায়ে তার তেমন প্রভাব বা আলোচনা নেই।

অন্যদিকে, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে ৪ প্রার্থী লড়ছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া ভিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েস ও  এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ। 

এর মধ্যে এবার ভোটের মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং জামায়াত প্রার্থী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়ার মধ্যে লড়াই হবে বলে জানান ভোটাররা।

জেলা নির্বাচন কমিশনার সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন আর মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৫টির মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ২৪টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪০টি আর সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৮১টি।

নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নিয়ে শেরপুর-২ আসন। এখানে ২টি পৌরসভা ও ২১টি ইউনিয়ন রয়েছে। মোট ভোটার ৪ লাখ ৪০ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৮৬ জন ও নারী ২ লাখ ২৪ হাজার ২৪৮ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫৪টি। এখানে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫৯টি আর সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪০টি।

এ ছাড়া দুটি আসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৩০ জন এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চার জন নির্বাচনি এলাকায় থাকবেন।