আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৭৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এর মধ্যে ৯টি কেন্দ্রকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং ২৬টি কেন্দ্রকে ‘সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তবে ভোটারদের শঙ্কা দূর করতে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার ৫৫২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১১ হাজার ৬৫৫ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ১০ হাজার ৮৯৬ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন একজন। উপজেলার ৭৮টি কেন্দ্রে মোট ৪১৯টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া জানান, ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কেন্দ্রগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনের দিন মাঠে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবেন। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রে কেন্দ্রে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মোবাইল টিমের টহল অব্যাহত থাকবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি ফোর্স মোতায়েন থাকবে। সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নীলফামারী-৪ সংসদীয় আসনটি কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। কিশোরগঞ্জ অংশে ২ লাখ ২২ হাজার ৫৫২ জন ভোটারের বিপরীতে ৭৮টি কেন্দ্র থাকলেও সৈয়দপুর অংশে ৯১টি কেন্দ্রে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। দুই উপজেলাতেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর প্রশাসন।
রিপোর্টারের নাম 
























