সুনামগঞ্জ-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তোফায়েল আহম্মেদ খাঁন বলেছেন, তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে হাওর জনপদকে চাঁদাবাজিমুক্ত করবেন। একইসঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগসহ সার্বিক উন্নয়নে জোর দেবেন। সোমবার তাহিরপুর উপজেলা স্টেডিয়ামে এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা তোফায়েল আহম্মেদ তার বক্তব্যে হাওর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরে বলেন, গত ৫৪ বছরে এই জনপদে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে আমরা এখনো অনেক পিছিয়ে। অথচ সম্ভাবনাময় এই আসনে বালু, পাথর ও পর্যটন খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে শুল্ক স্টেশন হয়ে কয়লা আমদানির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হলেও রাস্তাঘাটের উন্নয়নে তার প্রতিফলন দেখা যায় না। এর মূলে রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি।
তিনি বিশেষভাবে বালু মহালগুলোতে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের উপর চলমান চাঁদাবাজির তীব্র সমালোচনা করেন। তোফায়েল আহম্মেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পথে পথে চাঁদাবাজির কারণে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি নির্বাচিত হলে এই চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করে একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক বাণিজ্যিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেন।
প্রার্থী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের মতো মনভোলানো গল্প শুনিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এগুলো নিছক ভাঁওতাবাজি। তিনি কার্ড বা বেকার ভাতার পরিবর্তে প্রতিটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করে তাদের হাতে হাতে কাজের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন।
তাহিরপুর উপজেলা জামায়াতের আমির রোকন উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী সেক্রেটারি আনোয়ার উদ্দিনের সঞ্চালনায় এই নির্বাচনি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যদের মধ্যে সদ্য জামায়াতে যোগদানকারী তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, সাবেক কৃষকদলের তাহিরপুর উপজেলা সভাপতি ফেরদৌস আলম এবং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনুস আলী বক্তব্য রাখেন।
রিপোর্টারের নাম 






















