ইউরোপীয় ফুটবলের দুই পরাশক্তি বায়ার্ন মিউনিখ ও প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) নিজ নিজ লিগে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে। বুন্দেসলিগায় লুইস দিয়াসের হ্যাটট্রিক ও হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে হফেনহাইমকে ৫-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন। অন্যদিকে, ফরাসি লিগ ওয়ানে উসমান দেম্বেলের জোড়া গোলে মার্সেইকে ৫-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে পিএসজি।
অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় হফেনহাইম। ১৭তম মিনিটেই ডি-বক্সে লুইস দিয়াসকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার কেভিন। দশজনের দলে পরিণত হওয়ার সুবাদে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে নেন ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। যদিও ৩৫তম মিনিটে আন্দ্রে ক্রামারিচের গোলে সমতায় ফেরে হফেনহাইম। তবে বিরতিতে যাওয়ার আগেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় বায়ার্ন। ৪৫তম মিনিটে আবারও দিয়াস বক্সে ফাউলের শিকার হলে দ্বিতীয় পেনাল্টি থেকে গোল করে কেইন তার জোড়া গোল পূর্ণ করেন। এরপর দিয়াস নিজে বিরতির আগেই নিজের প্রথম গোলটি করেন। দ্বিতীয়ার্ধেও বায়ার্নের আক্রমণ অব্যাহত থাকে। ম্যাচের ৬৫তম ও ৮৯তম মিনিটে আরও দুটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন কলম্বিয়ান ফরোয়ার্ড দিয়াস। বায়ার্নের করা পাঁচটি গোলের প্রতিটিতেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবদান ছিল তার। এই বিশাল জয়ে দুই ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল বায়ার্ন। ২১ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা টেবিলের শীর্ষেই আছে। ৬ পয়েন্ট পিছিয়ে দুইয়ে আছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে হফেনহাইম।
ফরাসি লিগ ওয়ানে মার্সেইয়ের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল পিএসজি। ম্যাচের ১২তম মিনিটেই উসমান দেম্বেলের গোলে এগিয়ে যায় তারা। এরপর ৩৭তম মিনিটে ডান দিক দিয়ে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় পিএসজি। ৬৪তম মিনিটে ফাকুন্দো মেদিনার আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ৬৫তম মিনিটে গোল করেন খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া। এরপর ৭৪তম মিনিটে দলের পঞ্চম গোলটি করেন আরেক বদলি খেলোয়াড় লি কাং-ইন। এই দাপুটে জয়ে ২১ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে আবারও লিগের শীর্ষে উঠেছে পিএসজি। দুই পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে লঁস। ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় লিওঁ এবং ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে মার্সেই।
রিপোর্টারের নাম 

























