লা লিগায় চোট ও নিষেধাজ্ঞার প্রবল বাধা পেরিয়ে মেস্তায়া স্টেডিয়ামে ভ্যালেন্সিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে স্বস্তির জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে ব্যবধান আবারও ১-এ নামিয়ে এনে শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলো কার্লো আনচেলত্তির দল। রক্ষণভাগ থেকে আক্রমণভাগ পর্যন্ত খেলোয়াড় সংকটে দিশাহারা দলটি চরম চাপের মধ্যেও নিজেদের চেনা চরিত্র দেখিয়েছে।
রোববার রাতে লা লিগার এই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ মাঠে নেমেছিল তাদের তিন তারকা ভিনিসিউস জুনিয়র (কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞা), জুড বেলিংহ্যাম ও রদ্রিগোকে (চোট) ছাড়াই। ফলে মাঝমাঠ ও আক্রমণে সমন্বয়ের অভাব ছিল স্পষ্ট। প্রথমার্ধে খেলার ছন্দেও ছিল না কাঙ্ক্ষিত গতি। কিলিয়ান এমবাপ্পে দু-একবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও জাল খুঁজে পাননি। ২৮তম মিনিটে লা লিগায় প্রথমবার শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়া দাভিদ হিমেনেসের শট গোলরক্ষক পা দিয়ে রুখে দিলে রিয়ালের সেরা সুযোগটি হাতছাড়া হয়।
বিরতির পরও রিয়াল আক্রমণে কাঙ্ক্ষিত ধার আনতে ব্যর্থ হয়। এমবাপ্পে ও গঞ্জালো গার্সিয়াকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন মনে হচ্ছিল। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৬৫তম মিনিটে, যখন তরুণ ডিফেন্ডার আলভারো কাররেরাস দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। ডিন হাউসেনের বাড়ানো পাসে দুজন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে তিনি জাল খুঁজে নেন। গোল হজমের পর ভ্যালেন্সিয়া পাল্টা আক্রমণে ওঠে এবং ৭১তম মিনিটে লুকাস বেলতানের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে রিয়াল রক্ষা পায়।
এরপর রিয়াল কোচ তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগান। ৭৬তম মিনিটে ব্রাহিম দিয়াস এবং চোট কাটিয়ে ফেরা ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডকে মাঠে নামান। ম্যাচের যোগ করা সময়ে ব্রাহিম দিয়াসের পাস থেকে প্রথম স্পর্শেই বল জালে জড়িয়ে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। লিগে এটি তার ২৩তম গোল, যা তাকে গোলদাতার তালিকার শীর্ষে তুলে এনেছে।
এই জয়ে ২৩ ম্যাচে ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে তারা মাত্র ১ পয়েন্ট পিছিয়ে। অন্যদিকে, দশম হারে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে ভ্যালেন্সিয়া অবনমন শঙ্কায় থাকা ১৭তম স্থানেই রয়ে গেল।
রিপোর্টারের নাম 

























