শনিবার রাজধানীর মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘সবার আগে হাসিমুখ’ শীর্ষক একটি তথ্যচিত্রের প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে নিয়ে নির্মিত এই প্রথম তথ্যচিত্রটিতে তার ব্যক্তিজীবনের এমন সব মানবিক উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে, যা এতদিন সাধারণ মানুষের অজানা ছিল। বিশেষ করে অসহায় মানুষ ও প্রাণীর প্রতি তার সহমর্মিতা ও নিঃস্বার্থ সহযোগিতা ছিল এই তথ্যচিত্রের মূল উপজীব্য। তথ্যচিত্রটি দেখে দর্শকরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
তথ্যচিত্রটিতে তারেক রহমানের এমন সব উদ্যোগ প্রদর্শিত হয়েছে, যেখানে তিনি নীরবে অসহায় মানুষ, দুস্থ পরিবার এবং অবহেলিত প্রাণীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। এসব মানবিক কার্যক্রমের অনেকটাই সাধারণ মানুষের অজানা ছিল। প্রিমিয়ার শোতে রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, অভিনেতা, সাংবাদিক, গায়কসহ সব শ্রেণির পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রিমিয়ার শো পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বক্তারা তারেক রহমানের এই নীরব মানবিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, “তারেক রহমান বছরের পর বছর ধরে এভাবে মানুষ ও প্রাণীর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, যা আমাদের অনেকেরই অজানা ছিল। যাদের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন, তারাও জানতেন না পেছনের সহায়তাকারী কে ছিলেন। মানুষ ও প্রাণীর কল্যাণে তার অবদান কখনো প্রচারের আলোয় আসেনি, এই তথ্যচিত্র সেই নীরব মানবিক দিকটিকেই তুলে ধরেছে।”
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি ঠিক কী দেখতে এসেছি, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। রাজনৈতিক কোনো বিষয় নিয়ে হয়তো তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে ভেবেছিলাম। কিন্তু এটি দেখে তারেক রহমানের অজানা মানবিক দিকগুলো উপলব্ধি করতে পেরে আমি বিস্মিত হয়েছি।”
তথ্যচিত্রটির নির্মাতা জুবায়ের বাবু, যিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিরও সদস্য, বলেন, “‘সবার আগে হাসিমুখ’ কোনো রাজনৈতিক প্রচারপত্র নয়। এটি একজন মানুষের গল্প, যিনি রাজনীতির ব্যস্ততার বাইরেও অসংখ্য মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিভৃতে কাজ করে গেছেন। মানুষ ও প্রাণীর প্রতি তারেক রহমানের সহমর্মিতা ও মানবিক উদ্যোগগুলোই ছিল এই তথ্যচিত্রের মূল অনুপ্রেরণা।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ তথ্যচিত্রটির নির্মাণশৈলী ও বিষয়বস্তুর প্রশংসা করেন। তারা এটিকে সময়োপযোগী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























