নওগাঁর ধামইরহাটে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই কিশোর শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা সম্পর্কে চাচাতো ভাই এবং তারা বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ঘুরতে বেরিয়ে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।
নিহত রাফি চৌধুরী (১৭) এবং আতিক চৌধুরী (১৫) উপজেলার খেলনা ইউনিয়নের লোদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। রাফি স্থানীয় খেলনা ইউনিয়নের লোদিপুর গ্রামের হালিম চৌধুরীর ছেলে এবং আতিক একই গ্রামের মান্নান চৌধুরীর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর তারা কয়েকজন বন্ধু মিলে সাপাহার উপজেলায় ঘুরতে গিয়েছিল। বিকেলে ঘোরার শেষে বাড়ি ফেরার পথে সাপাহার গোডাউন পাড়ার কাছে একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা দুজনেই গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাফিকে মৃত ঘোষণা করেন। আতিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে, পথেই আতিকের মৃত্যু হয়।
নিহত রাফি চৌধুরী সাপাহার সরকারি ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। অন্যদিকে, আতিক পত্নীতলা উপজেলার মধইল আল ইনসাফ ইসলামি একাডেমির দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। দুই সন্তানের অকাল মৃত্যুতে তাদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
খেলনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহিল মাহমুদ চৌধুরী এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার দুপুরে নিহতদের জানাজা নামাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 























