আগামীতে সরকার গঠন করতে পারলে গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করাসহ সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক একগুচ্ছ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। দলটির নির্বাচনি ইশতেহারে সাংবাদিক ইউনিয়নকে একটি জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান দলের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন। এবারের ইশতেহারের পঞ্চম অধ্যায়ে গণমাধ্যমের বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএনপি নির্ভীক ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতাকে সম্মান করে। গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা ও স্বীকৃতি দেওয়া হবে। বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপি জানিয়েছে, সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং গঠনমূলক সমালোচকের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব, যা পালনে তারা সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।
দেশের সকল প্রকার গণমাধ্যম, গণমাধ্যমকর্মী এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নিরবচ্ছিন্ন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর। গণমাধ্যমের ওপর যেকোনো ধরনের আক্রমণ ও আগ্রাসন কঠোরভাবে প্রতিহত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, শিশু, নারী ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমে নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলা হবে। ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থার সাথে সমন্বয় করে গুজব ও ভুয়া খবর, ঘৃণামূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার রোধ করা হবে। পাশাপাশি, এ সংক্রান্ত বিষয়ে নাগরিকদের অনলাইনে অভিযোগ দাখিল করার সুযোগ এবং ৩০ দিনের মধ্যে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা হবে।
সকল সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রুজুকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং সাংবাদিক নির্যাতন রোধে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হবে।
সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন বরাদ্দে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানো হবে বলেও ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























