সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদন থেকে সৃষ্ট আপিলের ষষ্ঠ দিনের শুনানি দেশের সর্বোচ্চ আদালতে চলছে। রবিবার (২ নভেম্বর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এই শুনানি শুরু হয়।
আদালতে আজ বিএনপির পক্ষে শুনানি করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত আছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
এর আগে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবিতে করা এই আপিলের টানা পঞ্চম দিনের শুনানি গত ২৯ অক্টোবর শেষ হয়েছিল। উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে ত্রয়োদশ সংশোধনীটি ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছিল। পরে এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন।
পরে, ২০১১ সালের ১০ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এক রায়ে সংবিধানের সেই ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়।
আপিল বিভাগের এই রায়ের পর, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করাসহ আরও বেশ কিছু পরিবর্তন এনে পঞ্চদশ সংশোধনী আইনটি ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস করা হয়। এর ঠিক পর, ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেটও প্রকাশ করা হয়।
তবে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের সেই রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) করার জন্য বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, পাঁচজন বিশিষ্ট নাগরিক এবং অপর এক ব্যক্তি আবেদন দায়ের করেন। সেই রিভিউ আবেদনগুলোর ওপর আপিল শুনানির জন্যই গত ২৭ আগস্ট আদালত লিভ মঞ্জুর করেন এবং ২১ অক্টোবর আপিল শুনানির দিন ঠিক করে দেন।
এদিকে, ভিন্ন একটি ঘটনায় গত ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ একটি রায় দেন। সেই রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















