ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

রাজধানীতে খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল আলম গ্রেপ্তার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র রফিকুল আলমকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে অন্তত ৪৭টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রফিকুল আলমের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর ডিএমপির ভাটারা থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন থানায় হত্যা, নাশকতা ও সহিংসতার একাধিক মামলা বিচারাধীন। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে বর্তমান সরকার, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং গণভোট নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তার এসব কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা হিসেবে গণ্য করেছে পুলিশ।

রফিকুল আলম খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং খাগড়াছড়ি পৌরসভার সাবেক মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সরকার পতনের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। তাকে খাগড়াছড়িতে হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গবভনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, গার্ড অব অনার প্রদান

রাজধানীতে খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল আলম গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:২৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র রফিকুল আলমকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে অন্তত ৪৭টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রফিকুল আলমের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর ডিএমপির ভাটারা থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন থানায় হত্যা, নাশকতা ও সহিংসতার একাধিক মামলা বিচারাধীন। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে বর্তমান সরকার, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং গণভোট নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তার এসব কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা হিসেবে গণ্য করেছে পুলিশ।

রফিকুল আলম খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং খাগড়াছড়ি পৌরসভার সাবেক মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সরকার পতনের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। তাকে খাগড়াছড়িতে হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।