ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

অধিকৃত জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের ভূমি বেদখল, নতুন বসতি ও সড়ক নির্মাণে তোড়জোড় ইসরাইলের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের উত্তর অংশে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ নতুন বসতি স্থাপন এবং সড়ক নির্মাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেরুজালেম গভর্নরেটের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। নতুন এই সড়কটি অধিকৃত জেরুজালেমের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত মিখমাস শহর থেকে পশ্চিমের কালান্দিয়া গ্রামের দিকে বিস্তৃত হবে।

গভর্নরেটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি পূর্ব জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ইসরাইলি বসতিগুলোর জন্য একটি বাইপাস সড়ক নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের মূল উদ্দেশ্য হলো, ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত এলাকাগুলো এড়িয়ে কেবল তাদের বসতিগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। এর মাধ্যমে তারা তাদের দখলদারিত্ব আরও সুসংহত করতে চাইছে। এই নির্মাণযজ্ঞ ফিলিস্তিনিদের ভূমি অধিকারের ওপর এক নতুন আঘাত বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় ছাত্রশিবির নেতাকে হত্যার ঘটনায় উত্তেজনা, আহত কর্মীর অবস্থা সংকটাপন্ন

অধিকৃত জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের ভূমি বেদখল, নতুন বসতি ও সড়ক নির্মাণে তোড়জোড় ইসরাইলের

আপডেট সময় : ০৮:০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের উত্তর অংশে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ নতুন বসতি স্থাপন এবং সড়ক নির্মাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেরুজালেম গভর্নরেটের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। নতুন এই সড়কটি অধিকৃত জেরুজালেমের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত মিখমাস শহর থেকে পশ্চিমের কালান্দিয়া গ্রামের দিকে বিস্তৃত হবে।

গভর্নরেটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি পূর্ব জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ইসরাইলি বসতিগুলোর জন্য একটি বাইপাস সড়ক নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের মূল উদ্দেশ্য হলো, ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত এলাকাগুলো এড়িয়ে কেবল তাদের বসতিগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। এর মাধ্যমে তারা তাদের দখলদারিত্ব আরও সুসংহত করতে চাইছে। এই নির্মাণযজ্ঞ ফিলিস্তিনিদের ভূমি অধিকারের ওপর এক নতুন আঘাত বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।