দেশের নারী ও পুরুষ উভয়কেই দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং সব ধর্মাবলম্বীদের সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম-২ (সীতাকুণ্ড) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী। বুধবার সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের জলিল গেইট এলাকায় স্থানীয় মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেন, একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের জন্য দক্ষ জনশক্তির কোনো বিকল্প নেই। বিএনপি ক্ষমতায় এলে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে প্রশিক্ষিত ও কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুশাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ধর্মীয় বিভেদ ভুলে সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় করতে পারলে সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
মতবিনিময় সভায় তিনি এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, সীতাকুণ্ডের গ্রামীণ জনপদে দীর্ঘদিনের রাস্তাঘাট ও পানি নিষ্কাশন সমস্যার টেকসই সমাধান প্রয়োজন। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে বর্ষা মৌসুমে কৃষি ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়, তা নিরসনে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক সমঝোতা অপরিহার্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে এলাকায় কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না এবং উন্নয়নের সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছাবে।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ভোটারদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসলাম চৌধুরী বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগ করা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক দায়িত্ব। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে সাধারণ মানুষকে নির্ভয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে। তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা সামান্য বিরোধের কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের বিরুদ্ধে হওয়া যাবতীয় ষড়যন্ত্রের জবাব দেওয়ার জন্য তিনি সাধারণ মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















