ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা নদীতে ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত মাছের দেখা মিলছে না। রূপালি ইলিশের আশায় দিনরাত নদীতে জাল ফেলেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে উপকূলীয় মৎস্যজীবীদের। আষাঢ়-শ্রাবণের এই সময়ে সাধারণত মৎস্য ঘাটগুলো হাঁকডাকে মুখর থাকলেও বর্তমানে সেখানে বিরাজ করছে শুনশান নীরবতা।
স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, সমুদ্রে অবৈধ ট্রলিং ও নিষিদ্ধ জালের অবাধ ব্যবহারের কারণে দিনদিন মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এছাড়া সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাতে নদীতে পানি বাড়লেও ইলিশের দেখা না মেলায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা। অনেক জেলেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
মৎস্য কর্মকর্তাদের মতে, নদীর মোহনায় অসংখ্য ডুবোচর সৃষ্টি হওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ইলিশের বিচরণ ও প্রজনন ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে তারা আশাবাদী যে, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে উপকূলীয় নদ-নদীতে ইলিশের আধিক্য বাড়তে পারে। অবৈধ মাছ শিকার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















