অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় বেতন কাঠামোর (পে-স্কেল) বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, এই অর্থ বরাদ্দের ফলে ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকার পে-স্কেল সংক্রান্ত বিদ্যমান সিদ্ধান্ত সহজে পরিবর্তন করতে পারবে না। তবে, এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থ উপদেষ্টা এসব তথ্য জানান।
বর্তমান সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রেক্ষাপটে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী প্রশাসনের জন্য একটি তুলনামূলক স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি করতে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল, তা গত দেড় বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
গণভোট আয়োজনের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা জানান, সরকার গণভোট আয়োজনের জন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখেছে। তবে, তিনি স্পষ্ট করেন যে এই বরাদ্দ কোনো নির্দিষ্ট ফলাফলের পক্ষে নয়, বরং এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে আয়োজনের জন্য নির্ধারিত। তিনি আরও বলেন যে, গণভোট আয়োজনের কারণে বর্তমান নির্বাচনী ব্যয় বিগত সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি হচ্ছে।
অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান যে, পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ার ফলে সাময়িকভাবে কর্মসংস্থান কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তিনি স্বীকার করেন যে, এটি ভবিষ্যতে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। তবে, দীর্ঘমেয়াদী অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই ধরনের সিদ্ধান্তগুলো প্রয়োজনীয় ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রিপোর্টারের নাম 























