ঢাকা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচিত হলে জনগণের আমানত রক্ষা করব, জবাবদিহির মধ্যে থাকব: তানভীর রবিন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের কাছে সরাসরি জবাবদিহি করবেন এবং জনগণের দেওয়া ভোটের আমানতের কোনো খেয়ানত করবেন না। তিনি অঙ্গীকার করেন, এলাকাবাসী যেকোনো সময় তাকে প্রশ্ন করতে, শাসন করতে কিংবা পরামর্শ দিতে পারবেন।

সোমবার রাজধানীর কদমতলী থানাধীন ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড মোহাম্মদবাগ এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। রবিন তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের দেওয়া প্রতিটি ভোট তার কাছে পবিত্র আমানত, যা তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রক্ষা করবেন।

প্রার্থী রবিন বলেন, ঢাকা-৪ আসনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান সংকটে ভুগছে। চাকরির অভাবে এলাকার মেধাবী তরুণ ও যুবকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে, যা তাদের মাদকাসক্তি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা তৈরি করছে। তিনি অভিযোগ করেন, শিশুদের জন্য পাঠাগার বা খেলাধুলার পর্যাপ্ত মাঠ নেই এবং পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর মতো কোনো মনোরম পরিবেশেরও অভাব রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বুড়িগঙ্গা নদীর তীর এবং এলাকার খাল-বিলগুলো মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়নি। অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণেই এলাকার মানুষ এসব মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

নাগরিক সেবার প্রসঙ্গে তানভীর আহমেদ রবিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও এলাকার জনগণ নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্সসহ গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ওয়াসার বিল পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক সেবা মেলে না এবং কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ বা সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মতো কোনো সিটি করপোরেশনের অবকাঠামোও নেই।

রবিন দাবি করেন, ঢাকার আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-৪ অর্থনৈতিক ও নাগরিক সুবিধার দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে। এর জন্য তিনি বিগত সরকারের অপরিকল্পিত নীতি ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, অতীতে দলীয়করণের কারণে এলাকার সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুরুব্বিদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে এবং আলেম সমাজকে হয়রানি ও অপমানের শিকার হতে হয়েছে।

গ্যাস ও পানির সংকট তুলে ধরে রবিন বলেন, এলাকায় এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের বেশি সময় ধরে গ্যাস থাকে না। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে এই এলাকায় গ্যাস লাইন ও পানির পাম্প স্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু গত ১৮ বছরে নতুন করে উল্লেখযোগ্য কোনো পানির পাম্প স্থাপন করা হয়নি, যা বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন সানজিদা ইসলাম তুলি

নির্বাচিত হলে জনগণের আমানত রক্ষা করব, জবাবদিহির মধ্যে থাকব: তানভীর রবিন

আপডেট সময় : ০৭:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের কাছে সরাসরি জবাবদিহি করবেন এবং জনগণের দেওয়া ভোটের আমানতের কোনো খেয়ানত করবেন না। তিনি অঙ্গীকার করেন, এলাকাবাসী যেকোনো সময় তাকে প্রশ্ন করতে, শাসন করতে কিংবা পরামর্শ দিতে পারবেন।

সোমবার রাজধানীর কদমতলী থানাধীন ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড মোহাম্মদবাগ এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। রবিন তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের দেওয়া প্রতিটি ভোট তার কাছে পবিত্র আমানত, যা তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রক্ষা করবেন।

প্রার্থী রবিন বলেন, ঢাকা-৪ আসনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান সংকটে ভুগছে। চাকরির অভাবে এলাকার মেধাবী তরুণ ও যুবকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে, যা তাদের মাদকাসক্তি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা তৈরি করছে। তিনি অভিযোগ করেন, শিশুদের জন্য পাঠাগার বা খেলাধুলার পর্যাপ্ত মাঠ নেই এবং পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর মতো কোনো মনোরম পরিবেশেরও অভাব রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বুড়িগঙ্গা নদীর তীর এবং এলাকার খাল-বিলগুলো মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়নি। অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণেই এলাকার মানুষ এসব মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

নাগরিক সেবার প্রসঙ্গে তানভীর আহমেদ রবিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও এলাকার জনগণ নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্সসহ গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ওয়াসার বিল পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক সেবা মেলে না এবং কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ বা সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মতো কোনো সিটি করপোরেশনের অবকাঠামোও নেই।

রবিন দাবি করেন, ঢাকার আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-৪ অর্থনৈতিক ও নাগরিক সুবিধার দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে। এর জন্য তিনি বিগত সরকারের অপরিকল্পিত নীতি ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, অতীতে দলীয়করণের কারণে এলাকার সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুরুব্বিদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে এবং আলেম সমাজকে হয়রানি ও অপমানের শিকার হতে হয়েছে।

গ্যাস ও পানির সংকট তুলে ধরে রবিন বলেন, এলাকায় এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের বেশি সময় ধরে গ্যাস থাকে না। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে এই এলাকায় গ্যাস লাইন ও পানির পাম্প স্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু গত ১৮ বছরে নতুন করে উল্লেখযোগ্য কোনো পানির পাম্প স্থাপন করা হয়নি, যা বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ।