ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

আসন্ন সংসদ নির্বাচন: ৫১ দিনে ২৭৪ সহিংস ঘটনা, নিহত ৫

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (মোট ৫১ দিনে) দেশজুড়ে ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে সোমবার ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংস ঘটনা-২০২৬’ শিরোনামে সরবরাহ করা এক পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ে ১৫ জন প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ৮৯টি এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ৫ জন।

এছাড়া, ভীতি প্রদর্শন বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬টি। অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে ৩টি ঘটনায়, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ৯টি এবং প্রচার কার্যে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ২৯টি। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অফিস বা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে ২০টি। ১৭টি অবরোধ বা বিক্ষোভের ঘটনাও এই সময়ের মধ্যে নথিভুক্ত করা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১টি এবং অন্যান্য সহিংসতার ঘটনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ৭০টি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং তাদের পরিসংখ্যানে পূর্ববর্তী তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়কার সহিংসতার চিত্রও তুলে ধরেছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর (২২-১২-২০১৩ থেকে ০৪-০১-২০১৪) মোট ৫৩০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল, যাতে নিহত হয়েছিলেন ১১৫ জন এবং আহত হয়েছিলেন ৩১৫ জন।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়কালে (১০-১২-২০১৮ থেকে ০২-০১-২০১৯) সহিংসতার ঘটনা ছিল ৪১৪টি। এতে ২২ জন নিহত এবং ৭৮০ জন আহত হন। ঐ সময়ে ২৩৪টি যানবাহন বা স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়, ১৫৫টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে এবং ককটেল/পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি নিক্ষেপের ঘটনা ছিল ১৪৩টি।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর (২১-১২-২০২৩ থেকে ১০-০১-২০২৪) ৫৩৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এতে ৬ জন নিহত এবং ৪৬০ জন আহত হন। এছাড়া, ১০২টি যানবাহন বা স্থাপনা ভাঙচুর, ১১৮টি অগ্নিসংযোগ এবং ৩০টি ককটেল/পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি নিক্ষেপের ঘটনা রেকর্ড করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসন্ন সংসদ নির্বাচন: ৫১ দিনে ২৭৪ সহিংস ঘটনা, নিহত ৫

আপডেট সময় : ০৭:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (মোট ৫১ দিনে) দেশজুড়ে ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে সোমবার ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংস ঘটনা-২০২৬’ শিরোনামে সরবরাহ করা এক পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ে ১৫ জন প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ৮৯টি এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ৫ জন।

এছাড়া, ভীতি প্রদর্শন বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬টি। অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে ৩টি ঘটনায়, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ৯টি এবং প্রচার কার্যে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ২৯টি। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অফিস বা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে ২০টি। ১৭টি অবরোধ বা বিক্ষোভের ঘটনাও এই সময়ের মধ্যে নথিভুক্ত করা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১টি এবং অন্যান্য সহিংসতার ঘটনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ৭০টি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং তাদের পরিসংখ্যানে পূর্ববর্তী তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়কার সহিংসতার চিত্রও তুলে ধরেছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর (২২-১২-২০১৩ থেকে ০৪-০১-২০১৪) মোট ৫৩০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল, যাতে নিহত হয়েছিলেন ১১৫ জন এবং আহত হয়েছিলেন ৩১৫ জন।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়কালে (১০-১২-২০১৮ থেকে ০২-০১-২০১৯) সহিংসতার ঘটনা ছিল ৪১৪টি। এতে ২২ জন নিহত এবং ৭৮০ জন আহত হন। ঐ সময়ে ২৩৪টি যানবাহন বা স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়, ১৫৫টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে এবং ককটেল/পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি নিক্ষেপের ঘটনা ছিল ১৪৩টি।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর (২১-১২-২০২৩ থেকে ১০-০১-২০২৪) ৫৩৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এতে ৬ জন নিহত এবং ৪৬০ জন আহত হন। এছাড়া, ১০২টি যানবাহন বা স্থাপনা ভাঙচুর, ১১৮টি অগ্নিসংযোগ এবং ৩০টি ককটেল/পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি নিক্ষেপের ঘটনা রেকর্ড করা হয়।