নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে, জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়েছে।
সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে জোটভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দ্রুততম সময়ের মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকরের জোর দাবি জানান। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরও সরকার কর্মচারীদের দাবি আমলে নিচ্ছে না। গত ৫ ডিসেম্বর লক্ষাধিক কর্মচারীর উপস্থিতিতে মহাসমাবেশের পর আশা করা হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হবে, কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। ২১ জানুয়ারি পে-কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরও অর্থ উপদেষ্টা গেজেট প্রকাশ না করে কমিটি গঠনের নামে কালক্ষেপণ করছেন বলে তারা উল্লেখ করেন।
সমাবেশে বক্তারা জ্বালানি উপদেষ্টার একটি মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান। উপদেষ্টা বলেছিলেন, ‘বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন স্তিমিত রাখতে কমিশন গঠন করা হয়েছিল।’ এই বক্তব্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি করেছে বলেও নেতারা জানান।
কর্মসূচি শেষে ঘোষণা করা হয়, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নিজ নিজ দপ্তরের সামনে ২ ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান, বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি কর্মসূচি পালিত হবে। এই সময়ের মধ্যে দাবি মেনে নেওয়া না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























