আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক জনমত গঠনের লক্ষ্যে পাবনা-২ আসনে অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তরুণ রাজনীতিবিদ, লেখক ও সাংবাদিক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই মনোনয়ন দেওয়া হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি সংসদীয় আসনে একজন করে অ্যাম্বাসেডর নিয়োগের যে পরিকল্পনা জাতীয় নাগরিক পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া গ্রহণ করেছিলেন, তারই অংশ হিসেবে পাবনা-২ (সুজানগর ও বেড়ার আংশিক) আসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আসাদুল্লাহকে। আজ দলটির গণভোট বিষয়ক উপকমিটির প্রধান ফরিদুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা প্রদান করেন।
মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ বর্তমানে এনসিপির অঙ্গসংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি দলটির প্রেস উইং এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া বিষয়ক উপকমিটিরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখন থেকে নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত তিনি পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ বলেন, “আসন্ন গণভোট আমাদের জাতীয় জীবনের এক সন্ধিক্ষণ। আগামী একশ বছর বাংলাদেশ কোন আদর্শ ও পথে চলবে, তা এই ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে। দেশের মানুষ কি অতীতের জনবিরোধী রাজনীতিতেই পড়ে থাকবে, নাকি নতুন রাজনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে—এটাই এখন বড় প্রশ্ন। আমাকে এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব দেওয়ায় দলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।” তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পাবনা-২ আসনের সর্বস্তরের মানুষকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সুফল সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে তিনি এই আসনে বিপুল বিজয় নিশ্চিত করতে পারবেন।
পেশাগত জীবনে মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির সঙ্গে জড়িত। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারী এই লেখক ইতোমধ্যে সাতটি বই প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে চারটি গল্পগ্রন্থ ও তিনটি উপন্যাস রয়েছে। তার লেখনীতে বরাবরই জনমানুষের অধিকার, সমাজ সচেতনতা ও রাজনীতির প্রেক্ষাপট গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশ বেতারে টকশো উপস্থাপক হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।
উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানে রাজপথে সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ক্ষুরধার লেখনী আন্দোলনকে বেগবান করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি দলটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একজন সমাজসংস্কারক ও ক্রীড়াপ্রেমী হিসেবে নিজ এলাকা পাবনা ও দেশজুড়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে তার বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























