বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন সাধারণ মানুষের কাছে নিজেকে একজন ‘ভাই’ ও ‘কর্মী’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। রোববার বাবুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
গণসংযোগকালে ভোটারদের উদ্দেশে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, “আমাকে ‘স্যার’ বলে দূরে রাখবেন না, আমি আপনাদের ভাই হয়ে থাকতে চাই। আমি নেতা নই, আমি আপনাদেরই একজন কর্মী।” তিনি আরও বলেন, তিনি জনগণের পাশে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হতে চান।
দিনব্যাপী এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে মাধবপাশা ইউনিয়নের দারোগার হাট, দেহেরগতি ইউনিয়নের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড এবং রহমতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় তিনি তাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন এবং এলাকার উন্নয়নে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান।
প্রার্থী জয়নুল আবেদীন উল্লেখ করেন, বাবুগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলার মানুষ দীর্ঘকাল ধরে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এই জনপদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে আগ্রহী।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এখন অত্যন্ত জরুরি। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
গণসংযোগকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান, কেন্দ্রীয় আইনজীবী ফোরামের সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ, সাবেক সভাপতি ইসরত হোসেন কচি তালুকদার, যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম তসলিম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি করিম হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক রাজন শিকদারসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
রিপোর্টারের নাম 






















