ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

নির্বাচনী উত্তাপ চরমে: দেশের তিন জেলায় প্রচারে হামলা-সংঘর্ষে আহত অন্তত ১৩

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। শুক্রবার দেশের তিন জেলায় নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশালের গৌরনদীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারে হামলায় চারজন, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সংঘর্ষে সাতজন এবং শরীয়তপুরের ডামুড্যায় হাতাহাতির ঘটনায় দুজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গৌরনদীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারে হামলা, আহত ৪
বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহানের নির্বাচনি প্রচারে দুই দফায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। গৌরনদী উপজেলার সরিকল বাজারে এই হামলায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন—গৌরনদী পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মো. শাহ আলম ফকির, অ্যাডভোকেট মো. শাহীন, আনিচ ফকির ও কামাল হোসেন খান। তাদের গৌরনদী পৌর এলাকার ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান অভিযোগ করেন, বরিশাল-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দীন স্বপনের সমর্থকরা তার প্রচারে হামলা চালিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষের সমর্থকরা প্রচার বহরে হামলা চালিয়ে তাদের দেউলিয়াপনার প্রমাণ দিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গৌরনদীর পিংলাকাঠী বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান সকাল ১০টার দিকে তার সমর্থকদের নিয়ে লিফলেট বিতরণ করে ভোট চাইছিলেন। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের প্রচারে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে আব্দুস সোবহান তার সমর্থকদের নিয়ে সরিকল বাজারে লিফলেট বিতরণকালে দ্বিতীয় দফায় তাদের নির্বাচনি প্রচারে বাধা দেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং অন্তত চারজন আহত হন।

এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দীন স্বপনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম জানিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান পিংলাকাঠী ও সরিকল বাজারে গিয়ে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়েছে। তবে নির্বাচনি প্রচারে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিখ হাসান রাসেল বলেন, সরিকল বাজারে নির্বাচনি প্রচারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সোবাহানের সমর্থকরা ‘তারেক জিয়ার সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন’ স্লোগান দিয়ে ভোট চাচ্ছিলেন বলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন। এরপর তাদের সঙ্গে সোবহানের সমর্থকদের বাগবিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক সরিকল পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যদের পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

গজারিয়ায় সংঘর্ষে আহত ৭
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার সোনালী মার্কেট এলাকায় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থকদের মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকাল পৌনে ৫টায় গজারিয়া ইউনিয়নের সোনালী মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—মামুন (৪৭), মানিক (৪২), আল আমিন (২৫), স্বপন সরকার (৫৫), বাবু (৪০) ও জয়নাল (৩৮)।

মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমার প্রতিপক্ষ বুঝতে পেরেছে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে আমার জনসমর্থন অনেক বেশি, তাই বাধ্য হয়ে তারা প্রথম থেকেই মারমুখী আচরণ করছে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং জড়িতদের শাস্তির দাবি করছি।’

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন বলেন, ‘আমি আজকে মুন্সীগঞ্জ শহরে প্রচারে ব্যস্ত ছিলাম। যারা এই কাজটি করেছে, তারা খুব খারাপ কাজ করেছে। এর দায়ভার আমি বা আমার দল নেব না, যারা করেছে, তাদের দায়ভার নিতে হবে।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাজমুল হোসেন জানান, বিকাল পৌনে ৫টার দিকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মহিউদ্দিনের সমর্থনে তারা একটি মিছিল বের করেছিলেন। মিছিলটি গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে গজারিয়া গার্লস স্কুল পার হয়ে সোনালী মার্কেট এলাকায় এলে ২০-২৫ জন বিএনপি প্রার্থী রতনের সমর্থক লাঠিসোটা হাতে অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়।

গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ‘এরকম একটি খবর আমরা পেয়েছি। খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

ডামুড্যায় বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের হাতাহাতি, আহত ২
একই দিনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের চর ধানকাঠি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে চর ধানকাঠি ইউনিয়নের বেপারী বাড়ির সামনে এই ঘটনায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।

বিএনপির নেতা নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চর ধানকাঠির বেপারী বাড়ির পেছনে নারীদের কোরআন তালিমের কথা বলে ডেকে এনে জামায়াত প্রার্থীর সভার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এ বিষয়ে বিএনপি সমর্থক কাদির (৪৫) প্রতিবাদ করলে একই এলাকার জামায়াতের কর্মী আক্তার বেপারীর (৪২) সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ডামুড্যা থানার ওসি মো. রবিউল হক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ইস্যুতে সংলাপের ওপর জোর এরদোয়ানের, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ

নির্বাচনী উত্তাপ চরমে: দেশের তিন জেলায় প্রচারে হামলা-সংঘর্ষে আহত অন্তত ১৩

আপডেট সময় : ১০:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। শুক্রবার দেশের তিন জেলায় নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশালের গৌরনদীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারে হামলায় চারজন, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সংঘর্ষে সাতজন এবং শরীয়তপুরের ডামুড্যায় হাতাহাতির ঘটনায় দুজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গৌরনদীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারে হামলা, আহত ৪
বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহানের নির্বাচনি প্রচারে দুই দফায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। গৌরনদী উপজেলার সরিকল বাজারে এই হামলায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন—গৌরনদী পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মো. শাহ আলম ফকির, অ্যাডভোকেট মো. শাহীন, আনিচ ফকির ও কামাল হোসেন খান। তাদের গৌরনদী পৌর এলাকার ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান অভিযোগ করেন, বরিশাল-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দীন স্বপনের সমর্থকরা তার প্রচারে হামলা চালিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষের সমর্থকরা প্রচার বহরে হামলা চালিয়ে তাদের দেউলিয়াপনার প্রমাণ দিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গৌরনদীর পিংলাকাঠী বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান সকাল ১০টার দিকে তার সমর্থকদের নিয়ে লিফলেট বিতরণ করে ভোট চাইছিলেন। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের প্রচারে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে আব্দুস সোবহান তার সমর্থকদের নিয়ে সরিকল বাজারে লিফলেট বিতরণকালে দ্বিতীয় দফায় তাদের নির্বাচনি প্রচারে বাধা দেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং অন্তত চারজন আহত হন।

এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দীন স্বপনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম জানিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান পিংলাকাঠী ও সরিকল বাজারে গিয়ে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়েছে। তবে নির্বাচনি প্রচারে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিখ হাসান রাসেল বলেন, সরিকল বাজারে নির্বাচনি প্রচারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সোবাহানের সমর্থকরা ‘তারেক জিয়ার সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন’ স্লোগান দিয়ে ভোট চাচ্ছিলেন বলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন। এরপর তাদের সঙ্গে সোবহানের সমর্থকদের বাগবিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক সরিকল পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যদের পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

গজারিয়ায় সংঘর্ষে আহত ৭
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার সোনালী মার্কেট এলাকায় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থকদের মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকাল পৌনে ৫টায় গজারিয়া ইউনিয়নের সোনালী মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—মামুন (৪৭), মানিক (৪২), আল আমিন (২৫), স্বপন সরকার (৫৫), বাবু (৪০) ও জয়নাল (৩৮)।

মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমার প্রতিপক্ষ বুঝতে পেরেছে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে আমার জনসমর্থন অনেক বেশি, তাই বাধ্য হয়ে তারা প্রথম থেকেই মারমুখী আচরণ করছে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং জড়িতদের শাস্তির দাবি করছি।’

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন বলেন, ‘আমি আজকে মুন্সীগঞ্জ শহরে প্রচারে ব্যস্ত ছিলাম। যারা এই কাজটি করেছে, তারা খুব খারাপ কাজ করেছে। এর দায়ভার আমি বা আমার দল নেব না, যারা করেছে, তাদের দায়ভার নিতে হবে।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাজমুল হোসেন জানান, বিকাল পৌনে ৫টার দিকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মহিউদ্দিনের সমর্থনে তারা একটি মিছিল বের করেছিলেন। মিছিলটি গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে গজারিয়া গার্লস স্কুল পার হয়ে সোনালী মার্কেট এলাকায় এলে ২০-২৫ জন বিএনপি প্রার্থী রতনের সমর্থক লাঠিসোটা হাতে অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়।

গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ‘এরকম একটি খবর আমরা পেয়েছি। খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

ডামুড্যায় বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের হাতাহাতি, আহত ২
একই দিনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের চর ধানকাঠি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে চর ধানকাঠি ইউনিয়নের বেপারী বাড়ির সামনে এই ঘটনায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।

বিএনপির নেতা নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চর ধানকাঠির বেপারী বাড়ির পেছনে নারীদের কোরআন তালিমের কথা বলে ডেকে এনে জামায়াত প্রার্থীর সভার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এ বিষয়ে বিএনপি সমর্থক কাদির (৪৫) প্রতিবাদ করলে একই এলাকার জামায়াতের কর্মী আক্তার বেপারীর (৪২) সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ডামুড্যা থানার ওসি মো. রবিউল হক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’