ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

বছরের প্রথমার্ধে পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি, নিট পণ্যে বড় ধাক্কা

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোশাক রপ্তানিতে সামান্য ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে এক হাজার ৯৩৩ কোটি ৫৭ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় শূন্য দশমিক ৬৩ শতাংশ কম, যা গত বছর ছিল এক হাজার ৯৪৫ কোটি ৯৩ লাখ ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওভেন পোশাকের রপ্তানি কিছুটা ইতিবাচক থাকলেও নিট পণ্যের রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিক আয়ে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তথ্যমতে, ওভেন খাতে ৯১৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে নিট পোশাক খাতে রপ্তানি এক দশমিক ৮০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৩ কোটি ৫৮ লাখ ডলারে।

মাসের ব্যবধানে রপ্তানি আয়ের চিত্রেও বড় ধরনের উত্থান-পতন দেখা গেছে। বছরের প্রথম তিন মাস—জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে কমলেও এপ্রিলে ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় এই খাত। তবে মে মাসে আবারও আট দশমিক ২৯ শতাংশ কমে যায়। সবশেষে জুন মাসে ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বছর শেষ করেছে পোশাক খাত। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে রপ্তানির এই ধারা বছর শেষে বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘গণতন্ত্র ও অর্থনীতি ধ্বংসের জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী’: রাশেদা বেগম হিরা

বছরের প্রথমার্ধে পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি, নিট পণ্যে বড় ধাক্কা

আপডেট সময় : ১২:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোশাক রপ্তানিতে সামান্য ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে এক হাজার ৯৩৩ কোটি ৫৭ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় শূন্য দশমিক ৬৩ শতাংশ কম, যা গত বছর ছিল এক হাজার ৯৪৫ কোটি ৯৩ লাখ ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওভেন পোশাকের রপ্তানি কিছুটা ইতিবাচক থাকলেও নিট পণ্যের রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিক আয়ে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তথ্যমতে, ওভেন খাতে ৯১৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে নিট পোশাক খাতে রপ্তানি এক দশমিক ৮০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৩ কোটি ৫৮ লাখ ডলারে।

মাসের ব্যবধানে রপ্তানি আয়ের চিত্রেও বড় ধরনের উত্থান-পতন দেখা গেছে। বছরের প্রথম তিন মাস—জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে কমলেও এপ্রিলে ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় এই খাত। তবে মে মাসে আবারও আট দশমিক ২৯ শতাংশ কমে যায়। সবশেষে জুন মাসে ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বছর শেষ করেছে পোশাক খাত। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে রপ্তানির এই ধারা বছর শেষে বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে।