রংপুর-কুড়িগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রায়শই পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী ও সাধারণ যাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, মহাসড়কটি এখন এক প্রকার ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
বুধবার কাউনিয়া উপজেলার মীরবাগ এলাকায় ভরসা কোল্ড স্টোরের সামনে একটি অজ্ঞাত ট্রাকের ধাক্কায় এনামুল হক (৪৭) নিহত হন। তিনি উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের বাহাগিলী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। একই দিন রাতে কাউনিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে একটি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নুর আলম (৩৭) নিহত হন। তিনি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রংপুর-কুড়িগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়েই এই মহাসড়কে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারী ও যানবাহনের চালকদের। তারা দ্রুত মহাসড়কে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিহাব উদ্দিন সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























