ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে পাঁচ বছরই যথেষ্ট: জামায়াত আমির, বললেন ‘বক্তৃতা নয়, সাক্ষী দিতে এসেছি’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমি এখানে কোনো বক্তৃতা দিতে আসিনি, বরং উত্তরবঙ্গের মানুষের বঞ্চনার সাক্ষী দিতে এসেছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই পরিকল্পিতভাবে উত্তরবঙ্গকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে এবং এই অঞ্চলকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলিত করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা সদরের চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “উত্তরবঙ্গ আমাদের কলিজার অংশ। অথচ একে ইচ্ছে করেই পিছিয়ে রাখা হয়েছে, অবহেলা করা হয়েছে।” তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি— উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে পাঁচ বছরই যথেষ্ট।”

জামায়াত আমির আরও বলেন, “কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।” তিনি উত্তরবঙ্গে বেকারত্ব দূর করার ওপর জোর দেন এবং প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, “আমরা উত্তরাঞ্চলে বেকার যুবক দেখতে চাই না। আমরা চাই, প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে। প্রতিটি নাগরিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে পাঁচ বছরই যথেষ্ট: জামায়াত আমির, বললেন ‘বক্তৃতা নয়, সাক্ষী দিতে এসেছি’

আপডেট সময় : ০২:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমি এখানে কোনো বক্তৃতা দিতে আসিনি, বরং উত্তরবঙ্গের মানুষের বঞ্চনার সাক্ষী দিতে এসেছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই পরিকল্পিতভাবে উত্তরবঙ্গকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে এবং এই অঞ্চলকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলিত করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা সদরের চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “উত্তরবঙ্গ আমাদের কলিজার অংশ। অথচ একে ইচ্ছে করেই পিছিয়ে রাখা হয়েছে, অবহেলা করা হয়েছে।” তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি— উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে পাঁচ বছরই যথেষ্ট।”

জামায়াত আমির আরও বলেন, “কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।” তিনি উত্তরবঙ্গে বেকারত্ব দূর করার ওপর জোর দেন এবং প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, “আমরা উত্তরাঞ্চলে বেকার যুবক দেখতে চাই না। আমরা চাই, প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে। প্রতিটি নাগরিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”