আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রাক্কালে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান যে, ভোট দেওয়ার আগে চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি বলেন, কোন দল বা প্রার্থী সংকটের সময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং কারা সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে বাস্তব ভূমিকা রেখেছে—তা বিচার করেই আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রবাসীদের তাঁদের পবিত্র আমানত বা ভোট প্রদান করা উচিত।

ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বার্তায় এবারের ভোটের দুটি গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য তুলে ধরেন। প্রথমত, তিনি আসন্ন গণভোটকে দীর্ঘ ৫৪ বছরের দুর্নীতি ও দুঃশাসননির্ভর ব্যবস্থার পরিবর্তনের একটি মোক্ষম সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন এবং সংস্কারের পক্ষে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। দ্বিতীয়ত, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে এবং জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে যারা আপসহীন ভূমিকা রাখছে, তাদের বিজয়ী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রবাসীদের উদ্দেশে বলেন, যারা দুর্নীতি ও দুঃশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের স্বার্থে তাদের প্রত্যাখ্যান করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক দল হিসেবে সবারই জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার অধিকার রয়েছে, তবে ভোটারদের দায়িত্ব হলো প্রার্থী ও দলের বর্তমান আচরণ এবং অতীত কর্মকাণ্ডের ব্যবধানটি বোঝা। তিনি মনে করেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর রাজনৈতিক দলগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করলেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে। ভোট দেওয়াকে কেবল একটি ব্যক্তিগত অধিকার নয় বরং একটি পবিত্র জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান প্রবাসীদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 
























