জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং শহীদদের স্বপ্নের ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোগত সংস্কার, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং জনগণের প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।
এই বিশেষ প্রচারণাকে বেগবান ও সফল করতে ৯ সদস্যবিশিষ্ট ‘গণভোট ক্যাম্পেইন পরিচালনা কেন্দ্রীয় কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।
নবগঠিত এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাকে এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদি। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ডা. রেজওয়ানুল হক, পাবলিক রিলেশনস সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এস এম তানভীর উদ্দিন, কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ, কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য মুহিবুর রহমান।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত দেড় দশকের দুঃশাসন পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে, তার মূল ভিত্তি হলো ‘জুলাই সনদ’। এই সনদ বাস্তবায়ন এবং বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে রাষ্ট্রের আমূল সংস্কার এখন সময়ের দাবি। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার মাধ্যমেই কেবল শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থক করা সম্ভব বলে মনে করে সংগঠনটি।
এক বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের চিরস্থায়ী বিলোপ এবং আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে একটি মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এই ঐতিহাসিক সংস্কার যাত্রা শুরু হয়েছে। স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ স্বদেশ গড়ার এই মাহেন্দ্রক্ষণে তিনি দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান নেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান। মূলত রাষ্ট্র সংস্কারের এই প্রক্রিয়ায় জনমত তৈরি ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করাই হবে এই কমিটির প্রধান লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 






















