বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের কার্যক্রম সফল করতে বিএনপি ছাড়া অন্য কোনো দলের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। রোববার রাতে চট্টগ্রামের বন্দরটিলায় এক শোক সভায় তিনি বলেন যে, দেশকে প্রকৃত পরিবর্তনের পথে নিতে হলে বিএনপিকেই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে এবং ৫ আগস্ট পরবর্তী নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কাটিয়ে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে বিএনপির মতো বড় দলের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
চট্টগ্রাম বন্দরটিলার গলাচিপাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার এই শোক সভায় নুর প্রশাসনের স্বচ্ছতা এবং পুলিশে পদোন্নতির ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে বিএনপিকে তাদের বিশাল জনভিত্তি কাজে লাগিয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে এবং একটি জনবান্ধব কাঠামো তৈরিতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যের বিকল্প নেই।
নুরুল হক নুর তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন যে বিএনপি যেহেতু দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি, তাই নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাদের দায়িত্বও সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশকে সহনশীলতা ও সম্প্রীতির রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে বিএনপিকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে এবং প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা অনিয়ম দূর করতে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে নুর বলেন যে এই নির্বাচন আর অতীতের মতো রাতের ভোটের নির্বাচন হবে না বরং ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে জাতি একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন দেখতে যাচ্ছে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সেরা নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হবে।
গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় দিয়ে সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে এবং এই ঐতিহাসিক সুযোগ কাজে লাগিয়ে আগামীর গণতান্ত্রিক পথ প্রশস্ত করতে হবে। ৫ আগস্টের চেতনা ধরে রাখতে হলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে এবং কোনো ধরনের উস্কানিতে পা না দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। সবশেষে তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
রিপোর্টারের নাম 

























