ঐকমত্য কমিশন জানিয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য তারা খুব তাড়াতাড়ি সরকারের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ সুপারিশপত্র জমা দিতে পারবে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা পবন চৌধুরীর স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গত কয়েক দিনের মতো শনিবারও ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সেই উপায় ও পদ্ধতি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সাথে একটি পর্যালোচনা সভা করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সভাটি জাতীয় সংসদের কমিশন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
ঐকমত্য কমিশন জানিয়েছে, এই সভায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম. এ. মতিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন মোহাম্মদ ইকরামুল হক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ড. শরিফ ভূইয়া, ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক এবং ব্যারিস্টার তানিম হোসেইন শাওন।
এই আলোচনায় কমিশনের পক্ষ থেকে অংশ নিয়েছেন সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া। এ সময় জাতীয় ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সনদটি বাস্তবায়নের বিভিন্ন সুপারিশ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় এবং একইসাথে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা হয়। মূলত আগের দিনের অসমাপ্ত আলোচনার সূত্র ধরেই আজকের অধিবেশনটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
কমিশন আশা প্রকাশ করছে যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ সুপারিশপত্র খুব দ্রুতই সরকারের কাছে জমা দেওয়া সম্ভব হবে।
রিপোর্টারের নাম 























