ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধের ব্যয় ও বিশ্বজুড়ে ‘স্বৈরাচারী’ শাসনের তীব্র নিন্দা জানালেন পোপ লিও

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান যুদ্ধবিগ্রহে বিপুল অর্থ ব্যয় এবং গুটিকয়েক শাসকের একচ্ছত্র আধিপত্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন পোপ লিও। ক্যামেরুন সফরকালে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব গুটিকয়েক নেতার স্বৈরাচারী মানসিকতার কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে সংকটাপন্ন করে তুলছে।

পোপ লিও তার বক্তব্যে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, তথাকথিত যুদ্ধের নায়কেরা ধ্বংসের নেশায় মত্ত। তারা ভুলে যান যে, কোনো কিছু ধ্বংস করতে মাত্র এক মুহূর্ত সময় লাগে, কিন্তু তা পুনর্গঠন করতে একটি পুরো জীবনও যথেষ্ট নয়। তিনি আরও বলেন, হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের পেছনে বিশ্বজুড়ে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করা হচ্ছে, অথচ মানুষের সেবা, শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের তীব্র সংকট থেকে যাচ্ছে।

পোপের এই জোরালো বক্তব্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি একটি বিশেষ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি যুদ্ধের পথ পরিহার করে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান যুক্তরাজ্যের, আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত

যুদ্ধের ব্যয় ও বিশ্বজুড়ে ‘স্বৈরাচারী’ শাসনের তীব্র নিন্দা জানালেন পোপ লিও

আপডেট সময় : ০৮:১৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান যুদ্ধবিগ্রহে বিপুল অর্থ ব্যয় এবং গুটিকয়েক শাসকের একচ্ছত্র আধিপত্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন পোপ লিও। ক্যামেরুন সফরকালে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব গুটিকয়েক নেতার স্বৈরাচারী মানসিকতার কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে সংকটাপন্ন করে তুলছে।

পোপ লিও তার বক্তব্যে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, তথাকথিত যুদ্ধের নায়কেরা ধ্বংসের নেশায় মত্ত। তারা ভুলে যান যে, কোনো কিছু ধ্বংস করতে মাত্র এক মুহূর্ত সময় লাগে, কিন্তু তা পুনর্গঠন করতে একটি পুরো জীবনও যথেষ্ট নয়। তিনি আরও বলেন, হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের পেছনে বিশ্বজুড়ে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করা হচ্ছে, অথচ মানুষের সেবা, শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের তীব্র সংকট থেকে যাচ্ছে।

পোপের এই জোরালো বক্তব্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি একটি বিশেষ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি যুদ্ধের পথ পরিহার করে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।