ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

চুক্তিতে রাজি না হলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ইরান যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশটির বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ শুরু করতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত রয়েছে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় যতদিন প্রয়োজন ততদিন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটন ডিসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেগসেথ দাবি করেন, বর্তমানে ইরানের কার্যকর কোনো নৌবাহিনী নেই। ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল এখন মার্কিন নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আরও জানান, ইরান তাদের সামরিক সরঞ্জাম কোথায় সরিয়ে নিচ্ছে সে বিষয়েও ওয়াশিংটন তীক্ষ্ণ নজর রাখছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন যে, তেহরানের প্রতিটি পদক্ষেপ তারা পর্যবেক্ষণ করছেন। ইরান কোনো চুক্তিতে না এলে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণই হবে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ। এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান যুক্তরাজ্যের, আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত

চুক্তিতে রাজি না হলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৮:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশটির বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ শুরু করতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত রয়েছে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় যতদিন প্রয়োজন ততদিন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটন ডিসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেগসেথ দাবি করেন, বর্তমানে ইরানের কার্যকর কোনো নৌবাহিনী নেই। ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল এখন মার্কিন নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আরও জানান, ইরান তাদের সামরিক সরঞ্জাম কোথায় সরিয়ে নিচ্ছে সে বিষয়েও ওয়াশিংটন তীক্ষ্ণ নজর রাখছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন যে, তেহরানের প্রতিটি পদক্ষেপ তারা পর্যবেক্ষণ করছেন। ইরান কোনো চুক্তিতে না এলে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণই হবে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ। এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।