ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে ৩৪টি প্রস্তাব দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সশস্ত্র বাহিনী এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ মোট ৩৪টি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার (২০ অক্টোবর) ইসি সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সাথে অনুষ্ঠিত একটি মতবিনিময় সভায় এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়।

এই সভা থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আসে। এর মধ্যে রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নির্বাচনের সময় ৮ দিন মোতায়েন রাখা, সেনাবাহিনী মোতায়েন করা, গুজব নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ অ্যাপস তৈরি করা, রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত আনসারদের ভোটের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত একটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা।

এছাড়া অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে ছিল নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য কিউ আর কোডসহ আইডি কার্ড প্রদান, সাংবাদিকদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি এবং প্রশিক্ষিত আনসার সদস্যদের একটি ডাটাবেজ প্রস্তুত করা। সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সম্মিলিতভাবে এই ৩৪টি প্রস্তাব জমা দেয়।

এই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন, গুজব মোকাবেলায় প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং দুর্গম এলাকাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মতো বিষয়গুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগদান

একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে ৩৪টি প্রস্তাব দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো

আপডেট সময় : ১১:১২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সশস্ত্র বাহিনী এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ মোট ৩৪টি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার (২০ অক্টোবর) ইসি সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সাথে অনুষ্ঠিত একটি মতবিনিময় সভায় এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়।

এই সভা থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আসে। এর মধ্যে রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নির্বাচনের সময় ৮ দিন মোতায়েন রাখা, সেনাবাহিনী মোতায়েন করা, গুজব নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ অ্যাপস তৈরি করা, রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত আনসারদের ভোটের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত একটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা।

এছাড়া অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে ছিল নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য কিউ আর কোডসহ আইডি কার্ড প্রদান, সাংবাদিকদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি এবং প্রশিক্ষিত আনসার সদস্যদের একটি ডাটাবেজ প্রস্তুত করা। সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সম্মিলিতভাবে এই ৩৪টি প্রস্তাব জমা দেয়।

এই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন, গুজব মোকাবেলায় প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং দুর্গম এলাকাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মতো বিষয়গুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।